বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১২

বুর্জোয়া সমাজবিপ্লব যেহেতু আমাদের এই শস্যশ্যামলা দেশে এখনও অনেক দূরে রয়ে গেছে, তাই বাংলা সিনেমার ভিলেনরা এখনও আমাদের কাছে আমুদে, বড়জোর লোকনাট্যের বিদূষক।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১১

ঋত্বিক ঘটকের ছবিতে এই এক আশ্চর্য কৌতুক যে, তার প্রধান চরিত্ররা প্রায় কেউই গৃহ-স্থ নয়। হয় গৃহচ্যুত, নয় বাড়ি থেকে পালিয়ে, নয় নতুন গৃহসন্ধানে। হয়তো এরকম একটা ঘরানা বাঙালির ছিলও। যেমন শরৎচন্দ্রের শ্রীকান্ত।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১০

খেয়াল করে দেখবেন, আমাদের স্বপ্নের তুঙ্গ মুহূর্ত সাদা-কালোতেই রচিত। আশ্চর্য, বাইরের পৃথিবী তো রঙিন। চোখের আলোয় যা দেখা যায়, নিসর্গ ও নারী, তা রঙেই দেখা যায়। আর শিল্প যেহেতু কৃত্রিমতার বর্ণনা, সাদা-কালোর শিল্পীকে তা সীমানাহীন সাম্রাজ্যে…

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ৯

এমন সৌরালোকিত মৃত্যু যেন প্রতিটি ব্যক্তির ষাট বসন্তের দিনের স্বপ্ন থাকে। আমরা বহু বাসনায় প্রাণপণে চাইছিলাম। তাই কি মারাদোনা বঞ্চনা করে আমাদের জন্য রেখে গেলেন অবাক হওয়ার নিরঙ্কুশ অধিকার আর অবিনশ্বর সেই দশ নম্বর নীল-সাদা অনন্ত!

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ৮

সমর সেন ভগীরথের মতো আমাদের বার্ধক্যচর্চিত কাব্যে নিয়ে এলেন যুবাধর্ম যা অনতিকাল পরে সবান্ধব সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও ‘কৃত্তিবাস’পত্রিকার সদস্যদের প্রতিষ্ঠা পেতে সহায়তা দেয়।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ৬

আদিগন্ত আকাশ যেহেতু হাতের মুঠোয়, কেউ চট করে খেয়ালও করছে না যে ছবি সংস্কারবশতই ঢুকে পড়েছে ক্লোজ শট অথবা মিড ক্লোজআপের জগতে। মনে করা হচ্ছে ছোট এই জগতে, ছোট ষড়যন্ত্রে সংলাপ ছাড়া আর কীই বা দরকার?

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ৪

ঋত্বিক ‘অযান্ত্রিক’ থেকে ‘যুক্তি তক্কো গপ্পো’ পর্যন্ত সব ছবিতেই প্রকৃতিকে আলাদাভাবে দেখতে চান। নিম্নরেখ করেন। রবীন্দ্রনাথ যেমন ‘ছিন্নপত্রাবলী’-তে পদ্মানদীকে মূল উপজীব্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন, ঋত্বিকও প্রায় সেই দৃষ্টান্তকেই পাথেয় করেন।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ২

জর্জ ফ্লয়েড অতশত জানতেন না। তিনি জানতেন না করোনা ও চর্মকুষ্ঠের চাইতেও, খনিমজুরদের চাইতেও আতঙ্কের হল তাঁর চামড়ার রং। এই সেই সাংকেতিক প্যালেট যা মানুষকে স্বর্গাভিযানের গান শোনায়। এই সেই শরীর যা লম্বা লাফ দেয়, পোলভল্টে ছিটকে পড়ে আর দৌড়োয়।

বুনো স্ট্রবেরি কিন্তু ‘বুনো’ নয়

বিভিন্ন পর্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে তৎকালীন সমাজচিত্র, রোজনামচা। যতটা না এলিট তার থেকে অনেক বেশি সাধারণ মধ্যবিত্ত বাঙালির। বাদ যায়নি ফেরিওয়ালা, রাস্তার খাবার ও তার আনুপূর্বিক অ্যানাটমিক্যাল বিচার-বিশ্লেষণ আর খাওয়ার আফটার শক-এর মুচমুচে বিবরণ।