বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ১

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৪৮

এই ছোট্ট জীবনে অল্প কিছু মানুষ, কাছের, ভাললাগার মানুষদের নিয়েই তো দিব্যি দিন কেটে গেল। পঁচাশিটা বছর কখন যে কাজ করতে করতে, খেলতে খেলতে, গান গাইতে গাইতে, বনেজঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে আমার প্রায় অনবধানেই কাটিয়ে এলাম!

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৪৬

সে দুই ফরেস্ট গার্ডকে শিং দিয়ে থেঁতলে দিয়েছিল। তার পরেই তার ওপরে পাঁচশো টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল বনবিভাগ। কিন্তু আমায় বাইসন মারতে দিচ্ছিলেন না ওঁরা কেউ। বলছিলেন, বাইসন কী জিনিস জানেন?

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৪৫

সভ্য হয়েছিলাম নেতাজির বাড়ির পাশে উডবার্ন পার্কের বিখ্যাত টেনিস ক্লাব ক্যালকাটা সাউথ ক্লাবে। কাজ এবং পড়াশোনার জন্য আমি বিকেলে বা রাতে টেনিস খেলতে পারতাম না। তবে রোজ সকালে আমি সেই ক্লাবের হার্ড কোর্টে টেনিস খেলতাম।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৪৪

বিকেলের রোদ পড়ে এসেছে। সেই ফিকে হলুদ আলোয় কালো ডোরাকাটা বাঘকে দেখে আমার তো আত্মারাম খাঁচাছাড়া। আর সেই বাচ্চাদুটো পেছনের সিটে বসে বাঘ! বাঘ! করে লাফাতে লাগল।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৪৩

আমি বললাম, চলো। বলে আমার গাড়িতে ওকে নিয়ে গড়ের মাঠে গেলাম। ওই দিন গড়ের মাঠে কোথা থেকে একটা ষাঁড় এসে খুব উত্ত্যক্ত করেছিল আমাদের। তার পরে আমরা কফি খেতে গেলাম ম্যাগনোলিয়া।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৪০

সামনের গয়া রোড দিয়ে মেয়েরা হলুদরঙা লালপেড়ে শাড়ি পরে থালিতে নৈবেদ্য সাজিয়ে হেঁটে আসছে সিঁদুর গ্রাম থেকে, যে গ্রামে আমাদের করমদের বাড়ি। শরতের নরম, স্নিগ্ধ, হলুদ আলো পৃথিবীকে আরও সুন্দরী করে তুলেছে।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৩৭

বাবা কোনওদিন পছন্দ করতেন না এই নানারকম বাবা কিংবা মায়েদের কাছে ঘেঁষার। যে কারণে আমার মায়ের ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও আমার বাবা কোনওদিন মাকে কোনও বাবা বা মায়ের শিষ্যত্ব গ্রহণ করতে দেননি।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৩৬

দু’পাশে খেতখামার, বিরল গাছপালা, ছোট ছোট কুঁড়েঘর, উট চরছে কোথাও, কোথাও বা মোষ। কোথাও আবার লম্বকর্ণ পাঁঠা, লাল-হলুদ শাড়ি পরা মেয়েরা, খেতের পাশে বেড়া, গ্রামের মধ্যে মধ্যে উঁচু উঁচু খুঁটির ওপরে লালরঙা পতাকা উড়ছে।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৩৫

একদিন আমরা খবর পেলাম, সীতাগড়া পাহাড়ে একটি মস্ত বড় বাঘ এসে আস্তানা গেড়েছে এবং সেখানে যে পিঁজরাপোল আছে পাহাড়ের ওপরে সেই পিঁজরাপোলে গোরু যথেচ্ছ মারছে। কিছুদিন আগে দু-তিনটে মানুষকেও ধরেছে।

শেষবিকেলে সিমলিপালে পর্ব ৩৪

ভোলা যাওয়ার রাস্তায় একটা চর পড়ল, হাঁসে ভর্তি। ঠিক হল, বাবা ওয়ান টু থ্রি গুনবেন আর সকলে একসঙ্গে গুলি করবে, অনেক হাঁস মরবে। তাই হল। সবাই গুলি চালাল। কিন্তু সবক’টা হাঁস উড়ে গেল, একটা পালক পড়ে রইল।