বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

রেশমপথের কাব্য

রেশমপথের কাব্য পর্ব ১২

চারিদিকে ধু-ধু প্রান্তরের এখানে-সেখানে কিছু ঘরবাড়ি। দক্ষিণ দিকের শেষ সীমায় আলয় রেঞ্জ, অসীম উদাসীন বারো মাস। যদিও সারি তাস মানে হলুদ পাথর কিন্তু কোথাও তার অস্তিত্ব চোখে পড়ল না। হয়তো সব বরফে ঢেকে আছে বলে।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ১১

দু’পাশে ঘরবাড়ি, বেশিরভাগই মাটির বা পাথরের। পাকা বাড়িও কিছু আছে। বিস্তীর্ণ উপত্যকা জুড়ে চরে বেড়াচ্ছে প্রচুর ভেড়-বকরি আর গাই। লোকজন খুবই কম, যাও কিছু দেখতে পাচ্ছি, বেশিরভাগই বাচ্চা ছেলেমেয়ে। তাদের অনেকেই আবার অশ্বারোহী।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ১০

নদীখাত বরাবর বাতাসের তীব্র হাওয়া ছেনি চালিয়ে লালপাহাড়ের বুকে অসংখ্য কারুকাজ করে রেখেছে। যেন একেবারে লাদাখের প্রেক্ষাপট। কিন্তু মাথা একটু পিছন দিকে হেলালেই কুমায়ুনের পঞ্চচুল্লি, পিছনে টাটকা নীল আকাশের বুকে সাদা মেঘের বাউন্ডুলেপনা।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৯

গত দু’হাজার সালে ওস শহরের তিন হাজার বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান হয়েছে বেশ ঘটা করে। আসলে ওস শহর অতটা প্রাচীন কিনা জানি না তবে রেশমপথ চালু হওয়ার প্রথম লগ্নেই ওস বাজারের জন্ম। তখন এই প্রাচীন বাণিজ্যপথ ‘সিল্ক রোড’ নামের শিরোপা পায়নি।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৮

এতবড় উদাহরণ আগে কখনও দেখেছি? না জীবনে আর দেখতে পাব? এরকম আড়াই ফুট চওড়া মাটির বিছানায় দিনের পর দিন শুয়ে ভারতে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন বাবর!

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৭

আমাদের আজকের গন্তব্য ওস-এর কিছু আগে সীমান্ত শহর জালাল-আবাদ পর্যন্ত গিয়ে এই নদী ঢুকে যাবে উজবেকিস্তানের ফারগানা উপত্যকায়, মোগল সম্রাট বাবরের জন্মস্থানে।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৬

আমরা এক পা এক পা করে এগিয়ে যেতে থাকলাম পাহাড়ের পায়ের কাছে। দেখে মনে হচ্ছিল কত কাছে, কিন্তু আসলে অনেক অনেক দূরে। বড় যে কোনও কিছু এমনই। মনে হয় চট করে ছোঁয়া যাবে। যায় না।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৫

অনেকটা নীচে নদী। আর নদীর ওপারে? রং-বেরং মায়াবী জগৎ। গতকালেরটা ছিল ফেয়ারি টেল ক্যানিয়ন আর এটা ফেয়ারি টেল মাউন্টেন। তবে এটা শুধু দূর থেকে দেখার জন্য, দেখে মোহিত হবার জন্য।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৪

বিশাল জায়গায় অজস্র অলিগলি জুড়ে স্যান্ডস্টোনের অসাধারণ ভাস্কর্য। লাল, হলুদ, কমলা, গোলাপি এমনকি কোথাও কোথাও হালকা নীল বা সবুজের বাহার-ই-বাহার! ছড়িয়ে ছিটিয়ে সবাই নিজের মতো করে মজে গেলাম রূপকথার জগতে।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৩

কিরঘিজ ভাষায় ইসক কুল-এর মানে ‘উষ্ণ সরোবর। তবে শরীরে উষ্ণতা থাকলে কী হবে, মনে কোনও উষ্ণতা নেই। শুধু নিতেই জানে, দিতে জানে না কিছুই।