বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ভ্রমণ

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ২৩

রাস্তার পাশে খানিকটা ফাঁকা জায়গায় দলবেঁধে গুটিকয়েক ঘোড়ার সমাবেশ। এই ঘোড়াগুলো নিচের গ্রাম চোপতা থেকে পুণ্যার্থীদের পিঠে করে নিয়ে এসেছে। ফিরতি পথের অপেক্ষায় তারা দাঁড়িয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ২২

রাত্রে এখানকার তাপমাত্রা বেশ নেমে যায় আবার দিনের বেলায় ন্যাড়া পাহাড়ে চড়া রোদের ভ্রূকুটি! দিন-রাতে তাপমাত্রার এই পার্থক্যও হয়তো প্রভাব ফেলে পাহাড়ের শরীরে। তাই হয়তো ঘাসেদের এই বর্ণময় সাজ!

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ২১

একটা সময় চারদিক ন্যাড়া হতে শুরু করল। পথের দু’পাশের পাহাড়ে আর সবুজের সমাবেশ নেই। রুক্ষ পাহাড়ের গা বেয়ে সাবধানে পা ফেলে ওঠা। মুহূর্তের ভুল মানে হয় ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়ে থাকা, নয়তো পাশের অতলান্ত খাদে।

আশ্চর্য সুন্দর দ্বীপভূমি দিউ

এখন পানিকোঠা দুর্গে সাধারণ পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধ। তবে নৌকায় চেপে কিছুটা কাছাকাছি যাওয়া যেতে পারে। জাহাজের মতো দেখতে বিশাল অট্টালিকাটিতে রয়েছে একটি বাতিঘর ও প্রার্থনাগৃহ, যার নাম ‘Our Lady Of Sea’।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ২০

অস্তমান সূর্যের অতুলনীয় সৌন্দর্য উপেক্ষা করার সাধ্য কী কোনও মানবমনের আছে? রক্তিম সূর্যের প্রভা এঁকেবেঁকে চলে গিয়েছে আকাশের অনেক দূরে। চেনা পৃথিবীটাকে মনে হচ্ছে অনেক বেশি অচেনা। এক গভীর ভাললাগার আবেশে আবিষ্ট হয় মন।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ১৯

কুকুরগুলোর গলা ঢাকা রয়েছে লোহার তৈরি চওড়া বেষ্টনীতে। মেষপালক বললেন, ওগুলো চিতাবাঘের আক্রমণ থেকে ওদের প্রাণ বাঁচানোর একটা পন্থা। তার অর্থ, এই পাহাড়ে চিতাবাঘ এখনও জীবিত আছে। মেষপালক ওপর-নীচে মাথা দোলান।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ১৮

এরোপ্লেন উড়লে তো তার শব্দ থাকবে। সেরকম কোনও শব্দ তো কানে এল না! ঘাড় উঁচিয়ে আকাশের পানে তাকাতেই চমক। দৈত্যাকার এক পাখি তার বিশালাকার দুই ডানা মেলে উড়ে যাচ্ছে। আর তার পিছু পিছু এক পাহাড়ি কাক।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ১৭

নিঝুম অরণ্যপথে প্রায় ঘণ্টা তিনেক হাঁটার পর একসময় হঠাৎ করেই যেন পাহাড় অরণ্যের সীমানা টানল। জঙ্গল শেষ হয়ে চোখের সামনে হাজির এক সমতলভূমি। সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। বুঝলাম আমরা পাহাড়টার ঠিক মাথায় উঠে এসেছি।

সরষে, ওয়াইন আর পেঁচার গল্প

শহরের ডিউকের অতি প্রিয় পাখি এই পেঁচা। তাকে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করে এই ডিউক বংশ। তাই শহরের সর্বত্রই এই পেঁচার ছবি আর ভাস্কর্য। এবার বুঝলাম শহরের রাস্তায় দিক নির্দেশিকা কেন এই পেঁচা আর বুঝলাম আউল পাথের মাহাত্ম্য।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ১৬

আকাশ ঢাকা পড়ছে সবুজের মিনারে। যুগ যুগ ধরে তারা যেন অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে রয়েছে। আদ্যিকালের বৃক্ষদের কাণ্ডগুলো শ্যাওলা জড়ানো। বাদামি শরীর জুড়ে সবুজের চিত্রাঙ্কন। আবার শুষ্ক কাণ্ডে ছত্রাকের মনমোহিনী ভাস্কর্য।