বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ভ্রমণকথা

আশ্চর্য সুন্দর দ্বীপভূমি দিউ

এখন পানিকোঠা দুর্গে সাধারণ পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধ। তবে নৌকায় চেপে কিছুটা কাছাকাছি যাওয়া যেতে পারে। জাহাজের মতো দেখতে বিশাল অট্টালিকাটিতে রয়েছে একটি বাতিঘর ও প্রার্থনাগৃহ, যার নাম ‘Our Lady Of Sea’।

সরষে, ওয়াইন আর পেঁচার গল্প

শহরের ডিউকের অতি প্রিয় পাখি এই পেঁচা। তাকে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করে এই ডিউক বংশ। তাই শহরের সর্বত্রই এই পেঁচার ছবি আর ভাস্কর্য। এবার বুঝলাম শহরের রাস্তায় দিক নির্দেশিকা কেন এই পেঁচা আর বুঝলাম আউল পাথের মাহাত্ম্য।

ভেনিস : মুখ, মুখোশ, মুরানো কাচ

মুখোশ বা মুরানো কাচের জিনিস কেনা মানে শুধু স্যুভেনিয়র কেনা নয়। তার সঙ্গে জড়িয়ে পেয়ে যাওয়া যায় কত পুরনো গল্প আর রোমাঞ্চকর ইতিহাস। বাড়ির আলমারিতে রাখা সেইসব স্যুভেনিয়রের দিকে তাকিয়ে মাঝে মাঝেই হারিয়ে যেতে পারেন সেই ইতিহাসে।

জনৈক ভবঘুরের ডায়েরি

পাহাড়ের গা বেয়ে গুঁড়ি মেরে উঠে আসছে পরিচিত বিষাদ। আচ্ছন্ন হয় মন। আকাশের মুখ ভার। মেঘস্বর নিনাদিত পাহাড় থেকে পাহাড়ে। শুধু আসা-যাওয়া। একটু পরে অবশ্য উজ্জ্বল হয় আকাশের মুখ।

সুইটজারল্যান্ডের সৌন্দর্যলোকে

‘ইয়ডলিং’ দিয়ে তারা জড়ো করে তাদের মেষের পালকে। সুইস আল্পসের সেই ইয়ডলিং রপ্ত করেই সুরলহরীতে জাদুর পরশ এনে সকলকে মোহিত করে দিয়েছিলেন কিশোরকুমার।

নদীর দেশে, ফুলের দেশে

গ্রামটি শহরের কোলাহলের বাইরে পাহাড়ি নদী আর রডোডেনড্রন ফুল দিয়ে ঘেরা। আছে একটি ভিউ পয়েন্ট যেখান থেকে নয়নাভিরাম কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা পাওয়া যায়। আর আছে একটি সুন্দর ছোট্ট মনেস্ট্রি। আমরাও পায়ে পায়ে পৌঁছে গেলাম মনেস্ট্রি দেখতে।

ভূস্বর্গের তৃতীয় পথ

পথ কঠিন কিন্তু সৌন্দর্য অপার। আমার মতো শহুরে সাধারণের বর্ণনার বাইরে। সময় এখানে থমকে থাকে, ঘড়ির কাঁটার কথা সে মানে না। এ পথে একবার নয়, বার বার আসা যায় শুধুই একবার চোখে দেখার জন্য, অনুভব করবার জন্য।

বনপাহাড়ি

সাধারণত পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে যে-ধরনের আয়োজন থাকে, বনপাহাড়িতে তা নেই। বিশাল ডাইনিং হল, কন্টিনেন্টাল ডিশ, বাথরুমে গিজার, এসব কিচ্ছু নেই। শুধু প্রকৃতির নির্জনতা অটুট অমলিন আছে। আর আছে স্থানীয় মানুষদের খুশিবিশ্বাসী যাপনের ছবি।

ট্রান্স সাইবেরিয়ান ট্রেনে

প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ে ভ্লাদিভস্তক (VLADIVOSTOK) থেকে সাতটি টাইম জোন পেরিয়ে ন’হাজার কিলোমিটারের বেশি ট্রান্স সাইবেরিয়ান রেলপথটি সাত দিনে পৌঁছে যায় মস্কো শহরে।

দু’চাকায় জঙ্গল ও সুবর্ণরেখা

আজন্ম কলকাতায় বড় হওয়া, ফোন না করে আত্মীয়-বন্ধুর বাড়ি না যাওয়া তথাকথিত ‘সভ্য’ মানুষ। অচেনা অজানা এক আদিবাসী পরিবারের কাছ থেকে এই আতিথেয়তা পেয়ে অভিভূত হয়ে বসে রইলাম।