বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ব্লগ

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ২২

তিনি সারাজীবন উল্লেখ করে গেছেন লুইস বুনুয়েল ও তারকোভস্কির কথা, যাঁরা যুক্তির পরম্পরা ভেঙে অনিয়মের লাবণ্য গড়ে তোলেন সিনেমায়। বুদ্ধদেব তাঁদের পথ অনুসরণ করেই বঙ্গ সংস্কৃতিতে আখ্যান থেকে যুক্তি বিসর্জন দিতে চেয়েছিলেন।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ২১

ব্যোমকেশের চরিত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য শরদিন্দুকে ‘সত্যান্বেষী’ গল্পে অপরিচয়ের দায় নিতে হয়েছে। কেননা ব্যোমকেশের স্রষ্টা নানাভাবে বোঝাতে চান যে, গোয়েন্দা গল্প জীবনযাপনের একধরনের অনুবাদ।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ২০

লিরিক কবিতার পরিসরে বিনয় মজুমদারকে উপযুক্ত পুনর্বাসন দেওয়া যাবে না। তিনি কবির জন্য কোনও নির্জন উপত্যকা খোঁজেননি। কিন্তু কাব্যে চরণকে সবসময়ই ভেবে এসেছেন সমাজ ও কবির মধ্যেকার যোগসূত্র।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৯

তিনি সর্বজনপ্রিয়। অথচ একটা সমাজে কবি বলতে যা বোঝায় তিনি প্রায় তাই। তিনি খবরের কাগজের জন্য জলমেশানো গদ্য লেখেননি, সংস্কৃতির সর্বস্তরে তাঁর ঔৎসুক্য ছিল কিন্তু কবিতা ছাড়া অন্যত্র তাঁকে খুব প্রগলভ দেখা যায়নি।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৮

পূর্ণেন্দু পত্রী এমন এক দ্বীপ যেখানে দাঁড়িয়ে থাকলে বোঝা যায় বাংলা ছবির আলোবাতাস ফুরিয়ে যাবার নয়। রাত্রি এসে যখন মেশে দিনের পারাবারে, পূর্ণেন্দু সেই কুয়াশাময় এলাকাটিতেই কবিতার ধ্বনিকে চিত্ররেখাডোরে বেঁধে দিতে চান।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৭

আমাদের বাস্তুহারা বাজারে চৈত্র আসত কাউকে না জানিয়ে। নবগ্রহ মন্দিরের পাশে পলাশ দেখে আমরা বুঝতাম হারানবাবুর মেয়ে মান্তু আজ কাজললতায় সলতে পুড়িয়ে কাজল তৈরি করবে। মহিম হালদার স্ট্রিটের মোড়ে পড়ে থাকত কৃষ্ণচূড়ার গুচ্ছ গুচ্ছ থোকা।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৬

ঋত্বিক বহুদিন আগেই ‘কত অজানারে’ নিয়ে ছবি করার কথা ভেবেছিলেন। কাজ অনেক দূর এগিয়েওছিল। তারপর যা হয়, অসমাপ্ত থেকে গেল। সত্যজিৎ কিন্তু সত্তর দশকে মণিশংকরকে গ্রহণ করেছিলেন ‘সীমাবদ্ধ’ ও ‘জন অরণ্য’ এই দুটির ছবির চলচ্চিত্রায়নে।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৫

সত্যজিৎ রায়ের ছিলেন বংশী চন্দ্রগুপ্ত আর ঋত্বিককুমার ঘটকের সহায় রবি চট্টোপাধ্যায়। এই দুই শিল্পনির্দেশক না থাকলে সত্যজিতের ‘পথের পাঁচালী’ কিংবা ঋত্বিকের ‘কোমলগান্ধার’ কি অতখানি জীবন্ত হয়ে উঠে আসত দর্শকদের মনে?

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৪

দীনেশচন্দ্র সেন আমাদের সাহিত্যের ইতিহাসের নুড়িপাথর জাতীয় উপকরণ সংগ্রহ করেছিলেন তপস্বীর শ্রমে। ইংরেজিতে যাকে বলে এম্পেরিকাল রিসার্চ, সেই পথের প্রথম পথিক তিনি।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৩

তখনও পর্যন্ত সিনেমা-থিয়েটারের তথ্য ও আখ্যায়িকা সম্বলিত এই পত্রিকাগুলি সাহিত্যপত্রের মর্যাদা পায়নি। এরা মজলিশ থেকে মজলিশে হাতে হাতে ঘুরত। ‘বাবু কালচার’ এদের বৈঠকখানা বা গ্রন্থাগারে সহ্য করেনি।