বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রি ও হেলম্যান

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় নাৎসি আগ্রাসনের শিকার হয়ে প্রতিভাবান জার্মান বিজ্ঞানীদের পরিবার-পরিজন-সহ শিকড় ওপড়ানোর যন্ত্রণার। আবার স্তালিনের চরম বামপন্থার সঙ্কীর্ণ রাজনীতির দ্বন্দ্বে দীর্ণ সমান্তরাল ইতিহাসও অনেক নির্মমতার সাক্ষী হয়ে থাকে।

ডিজিটাল গুপ্তচর পেগাসাস

স্পাইওয়্যারের কাজ হল স্পাইং বা গুপ্তচরবৃত্তি করা। ফোন বা কম্পিউটার সিস্টেমে ঢুকে নিরাপত্তার যাবতীয় ব্যবস্থা ভেঙে ফেলে তথ্য চুরি করে নেওয়া। মোদ্দা কথা, চুপিসারে কারও ব্যক্তিগত জীবনে আড়ি পাতা।

নামিবিয়ার নোমাডদের আশ্চর্য মনঃসংযোগ

হিম্বারা তাঁদের পারিপার্শ্বিক জগৎকে অনেক নিরপেক্ষ ও নৈর্ব্যক্তিকভাবে দেখেন এবং আধুনিক সভ্যতার যেসব সুবিধে যেসব বিক্ষিপ্ততা তৈরি করে সেইসব হিম্বাদের মনোযোগকে ক্ষুণ্ণ করে না।

চাঁদের না-দেখা পিঠ

আলবত ঘোরে। কারণ ঘোরে না এমন কোনও বস্তু নেই মহাবিশ্বে। সূর্য ঘোরে, গ্যালাক্সিও ঘোরে। একদল বিজ্ঞানী বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকেও ঘুরতে কল্পনা করেন। মোট কথা চাঁদও ঘোরে। তাহলে পৃথিবী থেকে তার অন্য পিঠ দেখা যায় না কেন?

ডার্ক ওয়েব : ঈশ্বর ও শয়তানের আড্ডা

ডার্ক ওয়েব ও টর ব্রাউজার বন্ধ করে দিলে গুপ্তচরতন্ত্র আর অপরাধতন্ত্র কমজোরি হয়ে পড়বে বটে তবে তার সঙ্গে সঙ্গে গণতন্ত্রও ধরাশায়ী হবে। আসলে ডার্ক ওয়েব কথাটা শুনলে গা ছমছম করে বটে কিন্তু তার মধ্যে আলো আর অন্ধকার দুটোই আছে।

রায়চৌধুরী ইকুয়েশন

শেষপর্যন্ত অমলকুমার রায়চৌধুরী আবিষ্কৃত ‘Raychaudhuri Equation’-এর হাত ধরেই সমস্ত সংশয় দূর করে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী রজার পেনরোজ এবং আরও দুই বিজ্ঞানী রাইনহার্ড গেনজেল ও আন্দ্রেয়া ঘেজ ২০২০ সালের নোবেল পুরস্কার জিতে নেন।

পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব কোন সূত্রে বাঁধা

মোটকথা, এই গ্রহে প্রাণের আবির্ভাবের পর তার অস্তিত্ব নির্ভর করে আছে কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যামানের (numerical values) ওপর, যার সামান্য এদিক-ওদিক পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্বকেই বিপন্ন করে দিতে পারে।

গ্যালোয় থিওরি : বিশেই বিস্ময়

রাত শেষ হতে চলেছে। কালই সম্মুখসমরে নামছেন প্রিয়তমা স্টেফানির পাণিগ্রাহী পেশ্চু ডি হারবিনভিলের সঙ্গে। এ লড়াই আত্মসম্মানের লড়াই। হারলেও তাঁরই জয়। মন বলছে, আজই জীবনের শেষ রাত।

কৃত্রিম বুদ্ধি : উদ্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ

মানুষ যখন তার দৃষ্টিশক্তি বা বাক্‌শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কোনও সমস্যার সমাধান করে তখন তার মস্তিষ্ক কাজ করে দশ হাজার সুপারকম্পিউটারের থেকেও বেশি দ্রুততায়।

প্রযুক্তি, তক্কো, গপ্পো শেষ পর্ব

অমলকান্তি এখন চায়, পূর্ণাঙ্গ মানুষ হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা সকলের মধ্যেই প্রস্ফুটিত হোক। অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার শক্তি, ভালকে গ্রহণ, খারাপকে বর্জন আর বিপন্নতার প্রকাণ্ড কাণ্ডটিকে সমূলে উৎপাটিত করার প্রকৃত চেতনা সকলের মধ্যেই গড়ে উঠুক।