বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

বাংলাদেশের হৃদয় হতে

শুভ্রনীল সাগরের দুটি কবিতা

অনেক বছর পরে, আজ যে মুহূর্তরা ফিরে আসছে— তাকে ফিরে যেতে বলো… ঠিকানা বদলায়নি কিন্তু প্রাপক এখানে এখন আর থাকে না… সে তো লেখেনি কিছু চেয়ে! তবে কে পাঠাল— এমন অমোঘ হাতছানি? যেন তাকে ফিরে আসতে হতই! এদিকে জানলাজুড়ে আষাঢ়স্য রোমন্থন…

নাহিদা আশরাফীর দুটি কবিতা

এ কবিতা অপাঠ্য বলে গণ্য করা হোক সংসদীয় বিতর্ক— সন্ধ্যায় মালতীরা নিরাপদ নয় তবু সন্ধ্যামালতী নামে ফুল কেন ফোটে? ট্রাক— রাষ্ট্রের গায়ে কারা যেন গায়েবি হরফে লিখে দিয়েছে— ‘একশো হাত দূরে থাকুন।’ সাইনবোর্ড— ইদানীং চোখ বেশ পরিষ্কার…

রাসেল রায়হানের কবিতাগুচ্ছ

ঘুঘু পাখিদের মধ্যে তুমি ঘুঘু ভালবাসতে। বলতে, কী মিহি তুষারদানা ছড়িয়ে থাকে! পরের জন্মে তোমার বুকের মাঝে ঘুঘু হয়ে বসে থাকব। আর তোমাদের ভিটের কাছে উড়ে এসে বসতে বসতে মনে হবে, গেরস্তের বাড়ি ঘুঘু চরা ভাল নয়। পরজন্মেও আর তোমার কাছে আসা হবে না।…

জুয়েল মাজহারের কবিতা

লিখনসন্ততি "লেখাই হয় না আর এতো স্বপ্ন আক্রমণ করে" --আবদুল মান্নান সৈয়দ আর, আমা হেন অকৃতীঅধম যারা, তারা শূকরবৎস্যের ন্যায় নিখিলে প্রত্যহ কত কত লেখাপত্রলেখাপত্রলেখা লিখিয়া চলিছে অবিরাম ভরিয়া তুলিছে ক্রমে নিখিলের অখিল ভাগাড়…

নববর্ষ, নবব্যঞ্জনা

যখন স্থানীয় সংস্কৃতির অবলুপ্তির মহড়া চলে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির দ্বারা তখন লোকায়তের মরমী এই অন্তরমহল দিয়েই মোকাবিলার পথরেখা খুঁজে পায় বাঙালি।

সুহিতা সুলতানার কবিতাগুচ্ছ

গ্রহণ অগ্রহণের কালে মনে হচ্ছে বহুদিন অন্ধকার গুহায় বসে আমরা গিটারের কান্না শুনছি। আমাদের কণ্ঠস্বর, বিষাদ এখন চার দেয়ালের মধ্যে নিদ্রিত হয়ে আছে আর অনিদ্রা জেঁকে বসেছে আমাদের চোখের ভেতরে মন সে তো বহুদূর ভয়ঙ্কর উঁচু-নীচু পথ ধরে তার কাছে…

নায়িকার অটোগ্রাফ

তিনি হাসলেন। সৌজন্য রক্ষার জন্য কৃত্রিম হাসি। কিন্তু অভিনয় তো তাঁর সহজাত দক্ষতা। ওই বানানো হাসিটার মধ্যেও প্রায় আসল হাসির মতো একটা মন ভাল করা ব্যাপার আছে।

ইলিয়াসনামা

সেই তো ইলিয়াস, আমাদের কথাসাহিত্যিক ইলিয়াস। যিনি আমাদের জীবন্ত রাখেন সর্বদা ওইসব তরতাজা জীবনলোলুপ চরিত্রের জীবনবাদী চিন্তনের ভেতর দিয়ে। তার সবটা নিয়েই মানুষ। ধর্ম-সমাজ-মিথ মশলা মিশিয়ে সর্বসাকুল্যে অচিন পৃথিবীর চেনা মানুষ তারা।

ভোররাতে শুরু হয় অপারেশন

মৃত্যুর সময় একটা কথাও বলতে পারল না সে। বলার মতো অবস্থাও ছিল না। সে মারা গেল অবিনাশের কোলে মাথা রেখে। তার শরীরের কোথাও অখণ্ডতা বলে কিছু ছিল না কিন্তু বুকপকেটে সেই ফটোখানা তেমনই অবিকৃত ছিল। ভাইবোনে তোলা ফটো।

মারুফ রায়হানের দুটি কবিতা

কবিতার মুহূর্ত গুমোট গম্ভীর অন্ধকার। কোথাও আশা নেই, ভালবাসা নেই। তারপরও নক্ষত্রেরা ফুটে উঠতে থাকে আকাশের ক্যানভাসে। আমার কাছে কবিতা এভাবে আসে। এই বাংলায় একটা দোয়েলকে ক্ষতবিক্ষত করে ছুড়ে ফেলা হয় ভাগাড়ে, শীতলক্ষ্যায়, যমুনায়। রূপালি জলের…