বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

বাংলাদেশের হৃদয় হতে

নায়িকার অটোগ্রাফ

তিনি হাসলেন। সৌজন্য রক্ষার জন্য কৃত্রিম হাসি। কিন্তু অভিনয় তো তাঁর সহজাত দক্ষতা। ওই বানানো হাসিটার মধ্যেও প্রায় আসল হাসির মতো একটা মন ভাল করা ব্যাপার আছে।

ইলিয়াসনামা

সেই তো ইলিয়াস, আমাদের কথাসাহিত্যিক ইলিয়াস। যিনি আমাদের জীবন্ত রাখেন সর্বদা ওইসব তরতাজা জীবনলোলুপ চরিত্রের জীবনবাদী চিন্তনের ভেতর দিয়ে। তার সবটা নিয়েই মানুষ। ধর্ম-সমাজ-মিথ মশলা মিশিয়ে সর্বসাকুল্যে অচিন পৃথিবীর চেনা মানুষ তারা।

ভোররাতে শুরু হয় অপারেশন

মৃত্যুর সময় একটা কথাও বলতে পারল না সে। বলার মতো অবস্থাও ছিল না। সে মারা গেল অবিনাশের কোলে মাথা রেখে। তার শরীরের কোথাও অখণ্ডতা বলে কিছু ছিল না কিন্তু বুকপকেটে সেই ফটোখানা তেমনই অবিকৃত ছিল। ভাইবোনে তোলা ফটো।

মারুফ রায়হানের দুটি কবিতা

কবিতার মুহূর্ত গুমোট গম্ভীর অন্ধকার। কোথাও আশা নেই, ভালবাসা নেই। তারপরও নক্ষত্রেরা ফুটে উঠতে থাকে আকাশের ক্যানভাসে। আমার কাছে কবিতা এভাবে আসে। এই বাংলায় একটা দোয়েলকে ক্ষতবিক্ষত করে ছুড়ে ফেলা হয় ভাগাড়ে, শীতলক্ষ্যায়, যমুনায়। রূপালি জলের…

আলাউদ্দিন রোডের সেই মেয়েটি

দু-দিন মেহবুব বাড়িতে বসে থাকল, দিনরাত নিজের ঘরে বিছানায় শুয়ে, অফিসের ব্যাপারে মাকে কিছু জানাল না। কোনও অসুখও করেনি, মেয়ের আচরণ দেখে চিন্তিত হয়ে পড়ল মেহবুবের মা, অফিসে কিছু হয়নি তো?

পেয়ারি বেগমের বাঘবন্দি খেলা

রাতে বিছানায় শুয়ে বালিশের নীচে হাত যেতেই সুলতান অবাক হয়। সে বস্তুটা নিয়ে বাথরুমে যায়। কাগজের রংচঙা প্যাকেটের ভেতর ধারালো একটা ছুরি। দিন সাতেক আগে দোকানের ফল কাটার প্রয়োজনে ছুরিটা কিনেছিল। বাথরুমের আলোয় সে ছুরিটা দেখে, চকচক করছে ধারালো…

বাংলাদেশের চিত্রিত মৃৎশিল্প

বাঙালি জাতির স্বকীয়তা ও নান্দনিকতা একাকার হয়ে আছে এ সকল শিল্পকলায়। জনরুচির পরিবর্তন, কাঁচামালের অভাব, দক্ষ কারিগর না থাকা ইত্যাদি প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে এখনও টিকে আছে বেশকিছু চিত্রিত মৃৎশিল্প।

দিলারা হাফিজের দুটি কবিতা

মীরার ভজন খঞ্জ ভিখিরির মতন আমি নিজে দু’হাত বাড়িয়েছি তোমার দিকদিশে; শূন্য পেয়ালায় দু’হাত রেখে, দ্যাখো, আমি কি আরও বেশি শূন্যতারই দিকে পাতিনি বারবার আমার দু’টি হাত? খঞ্জ ভিখিরির মতন আগ্রহে দু’হাত বাড়িয়েছি তোমারই দিকে শুধু— আধুলি…

পিয়াস মজিদের দুটি কবিতা

ফুলগন্ধ অন্ধকার কল্পনার আল্পনায় সাজিয়েছি তোমাকে যে আমি তোমার আদরের অন্তর্জন্তু। প্রতিশ্রুত সমুদ্র দেখাতে দ্বিধা যাকে, নভো-কুৎসিতে সে তো ছিল তোমার মাটিমধুর অববাহিকা। কতটা উদার-উদাস হলে তুমি পাবে তার আত্মার আওয়াজ, জানা নেই…

মুক্তোর রঙে রং

স্কুলে ফাইনাল স্পোর্টসের দিন প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয়কে একটা তিন ধাপের চৌকিতে দাঁড় করানো হত। তাতে দাঁড়ালেই বোঝা যেত কার অবস্থান কী। মুখে বলে দেখিয়ে দিতে হত না। আজ মজিদের মনে হচ্ছে সেরকম একটা চৌকির ওপর দাঁড়িয়েছে তারা। কোনও বিচার-বিবেচনা ছাড়াই বলা…