বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

বইপত্র

একালের জীবনচরিতমানস

সাইবার সাম্রাজ্যের হুন্ডি। এর থেকে মুক্তি সহজ নয়। ডিজিটাল একটা দেওয়াল। সেই দেওয়ালেই একালের জীবনচরিতমানস। এর ভাল-খারাপ দুই দিকই আছে। ‘রোববারের হাবিজাবি’ তার ভাল দিক থেকেই আলো কুড়িয়ে নিয়েছে।

মন কেমনের আখ্যান

‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’। এটি লেখকের দ্বিতীয় উপন্যাস। লেখক বইটি নিকটাত্মীয়দের উৎসর্গ করেছেন আর বইয়ের ঠিক নিচে লিখেছেন, "এছাড়াও বাংলার সেইসব অসংখ্য মানুষদের যাদের হাতে এখনও প্রতিপালিত হয় আমাদের খাওয়াদাওয়া।’’

শান্ত ও স্তিমিত ধ্বনির উচ্চারণ

সংসার, প্রকৃতির সঙ্গে যে একধরনের মায়ার বাঁধন থেকে যায় তা শুভঙ্করের কবিতায় বাসা নিয়েছে। তাঁর এই সরল সৌন্দর্যের অন্বেষণ এবং উপলব্ধি পাঠকের কাছেও সহজ হয়ে ধরা দেয়।

নজরুলের জীবনের অজানা অধ্যায়

নজরুল সম্পর্কিত কৃষ্ণনগরের সময়কে অনুসন্ধান করতে হলে আমাদের কিছু জীবনীগ্রন্থ ও স্মৃতিচারণমূলক রচনার ওপর নির্ভর করতে হয়। ঠিক এইরকম এক প্রেক্ষাপটে নজরুলের কৃষ্ণনগর-যাপন নিয়ে দেবনারায়ণ মোদকের এই বইটি খুবই উল্লেখযোগ্য একটি বই।

বাংলা বিজ্ঞাপনের সাত-সতেরো

বাংলা বিজ্ঞাপনের, মূলত ছাপা বিজ্ঞাপনের, একবারে সদ্য শৈশব থেকে বিংশ শতাব্দীর আশি-নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত নানান তথ্যের সমবায়ে সমীর ঘোষ তাঁর ‘প্রসঙ্গ বাংলা বিজ্ঞাপন’ বইতে ঠিক কী করতে চেয়েছেন তার হদিশ পাওয়া যায় ‘বই-সম্পর্কে’ শিরোনামের সূচনাকথা…

প্রসন্নের পাঠশালা : লোহা নামক কবিতার বই

টানা গদ্যে লেখা কবিতাগুলো কিছুতেই মনোটোনাস হতে দেয় না পাঠষ্ক্রিয়াকে। আসলে মাত্রাবৃত্ত, স্বরবৃত্ত, অক্ষরবৃত্ত শেষে জীবন তো বিশুদ্ধ গদ্য ছন্দ। নিরাবেগে ঘটে যায়। ঘটে যাওয়াই নিয়তি।

ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ উচ্চারণ

যাঁরা সাবর্ণদের উপেক্ষার শিকার, সেই নিম্নবর্গের কথা অননুকরণীয় এক ভঙ্গিতে উঠে এসেছে সুরঞ্জনের কলমে। তুলেছেন কিছু অপ্রিয় প্রশ্নও। তালিকা দিয়ে তিনি দেখিয়েছেন, চর্যাপদের অধিকাংশ কবিরাই নিম্নবর্গীয়।

মেঘদূতের কালিদাস থেকে পদ্মা নদীর মানিক

‘সাহিত্যের জ্যোতিষ্করা আলোয় ও অক্ষরে’ বইটি আঠেরোজন কালজয়ী সাহিত্যিকদের নিয়ে আলোচনা। প্রারম্ভে সেখানে যেমন তাঁদের নিজ নিজ বৈশিষ্ট্যের কথা, আবার তেমনই রয়েছে তাঁদের সৃষ্টির সংক্ষিপ্তসার। অবশেষে লেখকের জীবনচরিত।

মৎস্যজীবীরা সামাজিকভাবে আজও পিছিয়ে

মৎস্যজীবীরা মূলত গরিব মানুষ। তাঁদের একটা নৌকা আর একটা জালই মাছ ধরতে সম্বল। এই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে বড় টাকার পুঁজির অনুপ্রবেশ ঘটছে মাছ ধরার ক্ষেত্রে। আবার পরম্পরাগতভাবে যাঁরা মৎস্যজীবী নন এমন প্রায় সব শ্রেণির লোকজনের বাড়বাড়ন্ত সেখানে।

বৈপরীত্যে ভরা ঠাকুরবাড়ি

আজ থেকে দেড়শো বছর আগে সমাজ অনেকটাই রক্ষণশীল ছিল এটা ঠিক, তবে বঙ্গদেশের আর পাঁচটা পরিবারের চেয়ে ঠাকুরপরিবারে মেয়েদের স্বাধীনতা যে আদপেই কথার কথা, এটা এ বইয়ের পাতায় পাতায় প্রতীয়মান হয়।