বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ফিরে পড়া

বাংলা-লেখক

আমাদের দেশে পাঠকসংখ্যা অতি যৎসামান্য। এবং তাহার মধ্যে এমন পাঠক "কোটিকে গুটিক' মেলে কিনা সন্দেহ যাঁহারা কোনো প্রবন্ধ পড়িয়া, কোনো সুযুক্তি শুনিয়া, আপন জীবনযাত্রার লেশমাত্র পরিবর্তনসাধন করেন।

বর্ষ সমালোচন

গত বৎসরে রাজকার্য্য কিরূপে নির্ব্বাহ প্রাপ্ত হইয়াছে, তদ্বিষয়ে অনেক অনুসন্ধান করিয়া জানিয়াছি যে, এই বৎসরে তিন শত পঁয়ষট্টি দিবস ছিল, একদিনও কম হয় নাই। প্রতি দিবসে ২৪টি করিয়া ঘণ্টা, এবং প্রতি ঘণ্টায় ৬০টি করিয়া মিনিট ছিল। কোনটির আমরা একটিও কম…

জীবনযাত্রা

ভারতবাসী যখন স্বাধীনতার জন্য লড়েছিল তখন বিদেশী জিনিস ব্যবহারে যে সংকোচ এবং বিলাসিতায় যে সংযম ছিল তা এখন একেবারে লোপ পেয়েছে। পূর্বে যা ছিল না বা থাকলেও যা আবশ্যক গণ্য হত না এখন তা অনেকের কাছে অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।

আধুনিক বিজ্ঞান ও হিন্দুধর্ম

প্রাচীন ধর্মগ্রন্থসমূহ যে সমস্ত জাগতিক তথ্য (world-phenomena), ঐতিহাসিক জ্ঞান ও মানব চরিত্রের অভিজ্ঞতার উপর প্রতিষ্ঠিত, তাহাদের উপর বর্তমান যুগের উপযোগী ‘আধ্যাত্মিকতা’ প্রতিষ্ঠিত হইতে পারে না।

সাহিত্যে আর্ট ও দুর্নীতি

সুবিধা ও প্রয়োজনের অনুরোধে সংসারে অনেক মিথ্যাকেই হয়ত সত্য বলে চালাতে হয়, কিন্তু সেই অজুহাতে জাতির সাহিত্যকেও কলুষিত করে তোলার মত পাপ অল্পই আছে। আপাত-প্রয়োজন যাই থাক, সেই সঙ্কীর্ণ গণ্ডী হতে একে মুক্তি দিতেই হবে।

অন্তর বাহির

যে ছবি হয়ে গেছে তাকে আবার এঁকে কি লাভ, জানালা দিয়ে দিনরাত চোখে পড়ছে যে আকাশ ও মাঠ ঘর বাড়ি সেটার সঠিক প্রতিচ্ছবি কি দরকার মানুষের, যদি না সে স্মৃতির সঙ্গে কল্পনাকে এক করে’ দেখায়!

পরমাণু

পরমাণু দ্রব হয় না, দগ্ধ হয় না, ও বিকৃতও হয় না। তাহারা যেমন সৃষ্ট হইয়াছিল, তেমনই আছে। তাহাদেরই পরস্পর সংযোজন দ্বারা সকল বস্তু রচিত হইয়াছে, এবং অদ্যাপি হইতেছে।

বাল্যবিবাহের দোষ

অস্মদ্দেশীয়েরা ভূমণ্ডলস্থিত প্রায় সর্বজাতি অপেক্ষা ভীরু, ক্ষীণ, দুর্বলস্বভাব এবং অল্প বয়সেই স্থবিরদশাপন্ন হইয়া অবসন্ন হয়, যদ্যপি এতদ্বিষয়ে অন্যান্য সামান্য কারণ অন্বেষণ করিলে প্রাপ্ত হওয়া যায় বটে, কিন্তু বিশেষ অনুসন্ধান করিলে ইহাই প্রতীতি…

জেঠামো

সামান্যতঃ জেঠামোর লক্ষণা করিতে গেলে ইহা বলা যাইতে পারে যে যাহা নিজের ক্ষমতার অতীত সে বিষয়ে কথা কওয়া জেঠামো। জেঠা নানা প্রকার। জেঠা কবি, জেঠা সমালোচক, জেঠা দার্শনিক, জেঠা বৈজ্ঞানিক, জেঠা পুরাতত্ত্বানুসন্ধায়ী, জেঠা বক্তা, জেঠা রিফরমর।

দৈবেন দেয়ম্

ইংরেজিতে যাহাকে সুপারস্টিশন বলে, বাংলায় তাহারই নামান্তর করা হয় ‘‘কুসংস্কার’’। ঐ জিনিসটার প্রতি কটাক্ষপাত নিবারণের জন্য একশ্রেণীর লোকে একটা বড় গোছের জুজু পুষিয়া থাকেন, তাহার মন্ত্র “দেয়ার ইজ এ সুপারস্টিশন ইন এ্যভয়ডিং সুপারস্টিশন’’ অর্থাৎ…