বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ফিরে পড়া

ছত্র-মহিমা

ছত্র সবল আকারে যষ্টিরূপেই পরিণত হয়; এবং সে যষ্টি দ্বারা আক্রমণ ও আত্মরক্ষা উভয় কার্যই সম্পন্ন হয়। কি? ছাতি দিয়ে আক্রমণ করা যায় না? খুব যায়। আচ্ছা, ছাতি নিয়ে আয়, আমি তোদের একবার ‘ছাতি পেটা’ ক’রে দেই।

রাক্ষুসী

সেই মান্ধাতার আমল থেকে শুধু মেয়েরাই কাটা পড়েছে তাদের দোষের জন্যে। মেয়েরা পেথম্ পেথম্ এই পুরুষের মতই চেঁচিয়ে উঠেছিল কি না এই অবিচারে, তা আমি জানি না। তবে ক্রমে তাদের ধা’তে যে এ খুবই সয়ে গিয়েছে এ নিশ্চিয়।

নব ডাকাতের ডায়েরি

ছুটিয়া ছুটিয়া পথ চলিয়া দু’ মিনিটের মধ্যেই যদিও একটা আঘাটায় আসিয়া পৌঁছিলাম, কিন্তু নৌকা তখন প্রায় মধ্য-জলে সশব্দে বাহিত হইয়া চলিয়াছে ; তাহার নিশানখানা অন্ধকারেও দুলিয়া দুলিয়া আমার পরিত্যক্ত অসহায় অবস্থা দেশ পূর্ণভাবেই ইঙ্গিত করিয়া…

মদে মত্ত হইলে ঘোর বিপদ ঘটে

লেখাপড়া শিখিলে সকলেরই একটু হিতাহিত বোধ হইতে পারে বটে, কিন্তু নীতি বিষয় প্রকৃত জ্ঞান জন্মাইতে হইলে বিশেষ উপদেশের আবশ্যক হয়, সেরূপে উপদেশ কালেজে হয় না।

বাংলা-লেখক

আমাদের দেশে পাঠকসংখ্যা অতি যৎসামান্য। এবং তাহার মধ্যে এমন পাঠক "কোটিকে গুটিক' মেলে কিনা সন্দেহ যাঁহারা কোনো প্রবন্ধ পড়িয়া, কোনো সুযুক্তি শুনিয়া, আপন জীবনযাত্রার লেশমাত্র পরিবর্তনসাধন করেন।

বর্ষ সমালোচন

গত বৎসরে রাজকার্য্য কিরূপে নির্ব্বাহ প্রাপ্ত হইয়াছে, তদ্বিষয়ে অনেক অনুসন্ধান করিয়া জানিয়াছি যে, এই বৎসরে তিন শত পঁয়ষট্টি দিবস ছিল, একদিনও কম হয় নাই। প্রতি দিবসে ২৪টি করিয়া ঘণ্টা, এবং প্রতি ঘণ্টায় ৬০টি করিয়া মিনিট ছিল। কোনটির আমরা একটিও কম…

জীবনযাত্রা

ভারতবাসী যখন স্বাধীনতার জন্য লড়েছিল তখন বিদেশী জিনিস ব্যবহারে যে সংকোচ এবং বিলাসিতায় যে সংযম ছিল তা এখন একেবারে লোপ পেয়েছে। পূর্বে যা ছিল না বা থাকলেও যা আবশ্যক গণ্য হত না এখন তা অনেকের কাছে অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে।

আধুনিক বিজ্ঞান ও হিন্দুধর্ম

প্রাচীন ধর্মগ্রন্থসমূহ যে সমস্ত জাগতিক তথ্য (world-phenomena), ঐতিহাসিক জ্ঞান ও মানব চরিত্রের অভিজ্ঞতার উপর প্রতিষ্ঠিত, তাহাদের উপর বর্তমান যুগের উপযোগী ‘আধ্যাত্মিকতা’ প্রতিষ্ঠিত হইতে পারে না।

সাহিত্যে আর্ট ও দুর্নীতি

সুবিধা ও প্রয়োজনের অনুরোধে সংসারে অনেক মিথ্যাকেই হয়ত সত্য বলে চালাতে হয়, কিন্তু সেই অজুহাতে জাতির সাহিত্যকেও কলুষিত করে তোলার মত পাপ অল্পই আছে। আপাত-প্রয়োজন যাই থাক, সেই সঙ্কীর্ণ গণ্ডী হতে একে মুক্তি দিতেই হবে।

অন্তর বাহির

যে ছবি হয়ে গেছে তাকে আবার এঁকে কি লাভ, জানালা দিয়ে দিনরাত চোখে পড়ছে যে আকাশ ও মাঠ ঘর বাড়ি সেটার সঠিক প্রতিচ্ছবি কি দরকার মানুষের, যদি না সে স্মৃতির সঙ্গে কল্পনাকে এক করে’ দেখায়!