বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

প্রবন্ধ

বিবেকানন্দে নীরব কেন কবি শ্রীরবীন্দ্র

তবু তো বিদ্যাসাগরের মৃত্যুর কয়েক বছর পর সমকালের তাগিদে জোড়াতালি দিয়েও একটা প্রবন্ধ লিখেছিলেন কিন্তু স্বামী বিবেকানন্দের সে সৌভাগ্যও ঘটেনি।

পুথির পাতা বনাম জাবদাখাতা

আমাদের উপন্যাস মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বদান্যতায় সুসাহিত্য আর জনপ্রিয় সাহিত্যে ভাগ হয়ে যায়। ফলে একদা যাঁরা অন্তঃপুর থেকে সদরে রাজত্ব করতেন, তাঁরা পিছিয়ে যান।

কাবুলকথা

বাঙালি পাঠক প্রথম কাবুলের মানুষকে জানলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কাবুলিওয়ালা’ গল্পে। “ময়লা ঢিলা কাপড় পরা, পাগড়ি মাথায়, ঝুলি ঘাড়ে, হাতে গোটা দুই-চার আঙুরের বাক্স, এক লম্বা কাবুলিওয়ালা মৃদুমন্দ গমনে পথ দিয়া যাইতেছিল।”

বাংলা সাহিত্যে মারী ও মড়ক

আজ যখন চারপাশে আসন্ন থার্ড ওয়েভের নিনাদ চলছে, যাতে শিশুরা বেশি আক্রান্ত হতে পারে বলে দাবি, তখন হারীতী এবং তাঁরই কাছাকাছি আর এক দেবী শীতলাকে দিয়েই বাংলা সাহিত্যে মারী ও মড়কের কথা আমরা শুরু করছি।

স্মৃতি, সত্তা, বিচ্ছিন্নতা

প্রতিটি প্রজন্মই কি তবে আদতে সময়-বিচ্ছিন্ন? পূর্ববর্তী সময় থেকে বিচ্ছিন্ন না হলে কি প্রকাশ করা যায় ‘এই সময়’-এর খতিয়ান? সময় তো মুহূর্তে মরণশীল। আবার সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যও তো অমর নয়। তারও তো গভীরে আছে ধ্বংসভাব।

সাহিত্যে পরিবেশের বিপন্নতা

আজকের পরিবেশবাদী সাহিত্যের সঠিক সংজ্ঞায় রবীন্দ্রনাথের এই রচনাগুলিকে চিনে নেওয়া যায় বই কী। রবীন্দ্রনাথই বাংলার প্রথম পরিবেশবাদী সাহিত্যিক। পরিবেশ বিজ্ঞানী।

দল দেশ রবীন্দ্রনাথ

একটি বাক্য বাংলা বলার জন্য অ-বাংলাভাষী রাজনৈতিক নেতা অনায়াসে বেছে নেন রবীন্দ্রনাথের কোনও গান বা কবিতার পঙ্‌ক্তি। কারও কিছু বলার থাকে না স্বাধীন দেশে। কিন্তু সত্যিই কি বলার থাকে না?

নববর্ষ, নবব্যঞ্জনা

যখন স্থানীয় সংস্কৃতির অবলুপ্তির মহড়া চলে সাংস্কৃতিক সাম্রাজ্যবাদী ও সাম্প্রদায়িক শক্তির দ্বারা তখন লোকায়তের মরমী এই অন্তরমহল দিয়েই মোকাবিলার পথরেখা খুঁজে পায় বাঙালি।

নববর্ষের অনুভূতিমালা

এখন নববর্ষ বলতে, আমাদের বর্ষশুরুর যে উৎসব হয় তা মূলত কলেজ স্ট্রিট বইপাড়া ঘিরে। অন্তত আমার কাছে। কিন্তু সারা বাংলা জুড়ে মঙ্গলঘট নিয়ে রঙিন মিছিলও হয় সকালে। আগে ছিল না। সম্প্রতি শুরু হয়েছে।

অ্যারিস্টটলের পোয়েটিক্স : শিল্পভাবনায়

বাংলায় এবং আন্তর্জাতিক স্তরেও, অমুক লেখকের তমুক কাহিনি অবলম্বনে রচিত নাটক বা ফিল্ম আমরা হরদম দেখে থাকি। সেখানে মূল গল্পের থেকে বহু বিচ্যুতি থাকে। সেটা আমরা নির্বিবাদে মেনে নিই কারণ, ‘নাটক তো আর গপ্পো নয়’।