বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

নাটক

থিয়েটারের সলিল

নাট্যের অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে অভিনেতাদের শরীর, গলা, মগজ কীভাবে সম্পৃক্ত করতে হয় সেটা সলিলদার কাছে শিখছিলাম প্রতিদিন। শেখার পর্ব চলছিল এই নাট্যনির্মাণ পর্বের বাইরেও।

মোটেরাম : রাষ্ট্রের উদ্দেশে কৈফিয়ত

ধর্ম ও রাজনীতির আঁতাতের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যে দেশের অখণ্ডতা আর সম্প্রীতির পক্ষে খুব গুরুত্বপূর্ণ তা বিলক্ষণ বুঝতেন সফদর। সেইজন্যে পথনাটকের ছোট পরিসর ছাড়াও প্রসেনিয়ামে আরও বিস্তারে তিনি এ বিষয়টি তুলে ধরতে চাইলেন।

স্বাতীলেখা : এক সম্পূর্ণ অভিনেত্রীর নাম

অসম্ভব ভাল গাইতে পারতেন তিনি। ‘ফেরিওয়ালার মৃত্যু’ নাটকের বিরতি হত তাঁর গানেই। সব গুণ ছিল তাঁর। নাচ, গান, কবিতা, বাজনা আর অভিনয়। একজন দক্ষ অভিনেতা হতে গেলে যা যা দরকার, সব।

লোকনাট্যে সম্প্রীতি : ভাঁড়যাত্রা

ভাঁড়যাত্রার চরিত্রগুলি দৈববাদ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না, তারা বাস্তব জীবনের প্রতিমূর্তি হয়ে বিকশিত হয়। ধর্মের গোঁড়ামি ভেঙে এক নতুন ঐতিহ্যের বাতাবরণ তৈরি করে। শুধু মেদিনীপুর নয়, বাংলার এই বিশিষ্ট ঐতিহ্যবাহী ধারাটি আজ সর্বত্র সম্পূর্ণ অবলুপ্তির…

ভাসের নাটক : এক মহাকাব্যিক দর্শন

একটি নাটক যা মহাভারত সংশ্লিষ্ট এবং যা দশ রূপকের মধ্যে ‘ব্যায়োগ’ শ্রেণিতে পড়ে। সেই ‘মধ্যম ব্যায়োগে’-ও প্রচলিত মহাভারতের চরিত্র অবলম্বন করে তুমুল টানাপোড়েন বোনেন রচয়িতা, যা প্রথাসিদ্ধ মহাভারতকে অনুসরণ করছে না।

বের্টল্ট ব্রেশ্‌টের আন্তিগোনে : সমকালের আলোয় ক্লাসিক

অতীতের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে দিশা দেখায়, তাই হিটলারের পতনের পরও সে বিষয় নাড়াচাড়ার দরকার পড়ে। আন্তিগোনেকে দিয়ে নাটকে প্রথম দিকে ব্রেশ্‌ট বলিয়েছেন, অতীতকে ভুলে গেলে অতীত ফিরে আসে।

গিরিশ কারনাড ও ‘রক্তকল্যাণ’

দেশের চারপাশটা যখন মুক্তমন নিয়ে দেখি তখন জাতপাত, সম্প্রদায় নিয়ে যে অমানবিক রাজনীতির ছবি স্পষ্ট হয় তাতে মনে ভয় বাসা বাঁধে। শেষমেশ আবার ওই কল্যাণনগরের মতো আধুনিক ডিজিটাল ইন্ডিয়াও আতঙ্কে ও রক্তস্রোতে ভেসে যাবে না তো!

বাংলা থিয়েটারে নতুন দিগন্ত

একথা কখনওই ঠিক নয় যে, যেকোনও নাটক যেকোনও স্পেসে অভিনীত হওয়ার জন্য নির্মিত হয়। কিন্তু এই যে কোভিডের আক্রমণের পরে আমাদের রাজ্যে নাট্যচর্চার ক্ষেত্রে যা ঘটল তার গল্পটা সম্পূর্ণ পৃথক এবং খুবই আশাব্যঞ্জক।

নটনটীদের ভাবমূর্তি

হে অপর্ণা, পুঁজিপতি যেমন তাহার পুঁজিটিকে পাহারা দেয়, সুদখোর যেমন তাহার পাওনা সুদের পশ্চাদ্ধাবন করে, নটনটীগণও সেইরূপ তাহাদের ইমেজ রক্ষা করিতে শশব্যস্ত।

সংলাপের সুর

রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গ নিয়ে এলেই সমুদ্রের বর্ণনা দেবার মতো এক অক্ষমতার উপলব্ধি হয়। কিন্তু শুধু এইটুকুও তো বলা যায়, ‘ডাকঘর’ বা ‘রক্তকরবী’, কোন পারিজাত-সুগন্ধে আজও আকৃষ্ট করে। নেহাত ‘সাধারণ’ একটি সংলাপ ভাবনার একেবারে গভীরে নিয়ে যায়।