বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ধারাবাহিক

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ২০

লিরিক কবিতার পরিসরে বিনয় মজুমদারকে উপযুক্ত পুনর্বাসন দেওয়া যাবে না। তিনি কবির জন্য কোনও নির্জন উপত্যকা খোঁজেননি। কিন্তু কাব্যে চরণকে সবসময়ই ভেবে এসেছেন সমাজ ও কবির মধ্যেকার যোগসূত্র।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৯

তিনি সর্বজনপ্রিয়। অথচ একটা সমাজে কবি বলতে যা বোঝায় তিনি প্রায় তাই। তিনি খবরের কাগজের জন্য জলমেশানো গদ্য লেখেননি, সংস্কৃতির সর্বস্তরে তাঁর ঔৎসুক্য ছিল কিন্তু কবিতা ছাড়া অন্যত্র তাঁকে খুব প্রগলভ দেখা যায়নি।

আমার মার্কিনি ২

ক্যাম্পাস-সংলগ্ন কয়েকটা রাস্তাতেই ছিলাম ওই তিন বছরে। প্রথম বাড়ি ঠিক করে রেখেছিল প্রদীপরাই। প্রদীপ মানে প্রদীপ ঘোষ, ইন্ডিয়ানাতে রসায়নের ছাত্র, রুমি তথা দময়ন্তী বসুর বর।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৮

পূর্ণেন্দু পত্রী এমন এক দ্বীপ যেখানে দাঁড়িয়ে থাকলে বোঝা যায় বাংলা ছবির আলোবাতাস ফুরিয়ে যাবার নয়। রাত্রি এসে যখন মেশে দিনের পারাবারে, পূর্ণেন্দু সেই কুয়াশাময় এলাকাটিতেই কবিতার ধ্বনিকে চিত্ররেখাডোরে বেঁধে দিতে চান।

আমার মার্কিনি ১

একবার এক অত্যুৎসাহী বন্ধু আমাকে নিউ ইয়র্কে এক বিদগ্ধ ভারতীয়ের বাড়িতে নিয়ে যায় যেখানে ভারতীয় ইংরেজি লেখক রাজা রাওকে সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছিল। সেখানে আমার দৈবাৎ ঈডিশ লেখক ইজাক বাশেভিৎস সিংগার-এর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৭

আমাদের বাস্তুহারা বাজারে চৈত্র আসত কাউকে না জানিয়ে। নবগ্রহ মন্দিরের পাশে পলাশ দেখে আমরা বুঝতাম হারানবাবুর মেয়ে মান্তু আজ কাজললতায় সলতে পুড়িয়ে কাজল তৈরি করবে। মহিম হালদার স্ট্রিটের মোড়ে পড়ে থাকত কৃষ্ণচূড়ার গুচ্ছ গুচ্ছ থোকা।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৬

ঋত্বিক বহুদিন আগেই ‘কত অজানারে’ নিয়ে ছবি করার কথা ভেবেছিলেন। কাজ অনেক দূর এগিয়েওছিল। তারপর যা হয়, অসমাপ্ত থেকে গেল। সত্যজিৎ কিন্তু সত্তর দশকে মণিশংকরকে গ্রহণ করেছিলেন ‘সীমাবদ্ধ’ ও ‘জন অরণ্য’ এই দুটির ছবির চলচ্চিত্রায়নে।

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৫

সত্যজিৎ রায়ের ছিলেন বংশী চন্দ্রগুপ্ত আর ঋত্বিককুমার ঘটকের সহায় রবি চট্টোপাধ্যায়। এই দুই শিল্পনির্দেশক না থাকলে সত্যজিতের ‘পথের পাঁচালী’ কিংবা ঋত্বিকের ‘কোমলগান্ধার’ কি অতখানি জীবন্ত হয়ে উঠে আসত দর্শকদের মনে?

প্রতিপ্রস্তাব পর্ব ১৪

দীনেশচন্দ্র সেন আমাদের সাহিত্যের ইতিহাসের নুড়িপাথর জাতীয় উপকরণ সংগ্রহ করেছিলেন তপস্বীর শ্রমে। ইংরেজিতে যাকে বলে এম্পেরিকাল রিসার্চ, সেই পথের প্রথম পথিক তিনি।