বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ধারাবাহিক ভ্রমণকাহিনি

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ১১

গাছের পাতার ছায়ায় ডালে ডালে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে ছোট ছোট পাখিরা। কেউ গাছের বাকলের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা পোকা খুঁটে খুঁটে খাচ্ছে আবার কোনও পাখি ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যস্ত। আমাদের আগমনে তাদের কোনও মাথাব্যথা নেই।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ১০

পুবের পাহাড় টপকে সকালের নরম রোদ্দুর ভিজিয়ে দিচ্ছে গ্রামের শরীর। চারদিকে হিমালয়ের পাখিদের কিচিরমিচির ঘুম ভাঙাচ্ছে গ্রামবাসীদের। টুকরি পিঠে গ্রামের মহিলারা ওপরের পাহাড়ে চলেছেন, বাড়ির পোষা পশুদের জন্য ঘাস আনতে।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৯

ব্যাগ থেকে ক্যামেরা বের করে সেই মেয়েটির একটা ছবি তুললাম। এই ছেলেমানুষি দেখে সে তো হাসিতে লুটোপুটি। লজ্জায় লাল। অতঃপর হরিণ ছানার মতো লাফিয়ে লাফিয়ে পাথুরে সিঁড়ি দিয়ে নীচের গ্রামে ছুট।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৮

গাড়োয়াল হিমালয়ের এই জঙ্গলের ওপর মানুষের লোলুপ দৃষ্টি সাম্প্রতিক নয়। উপর্যুপরি অত্যাচারে গত কয়েক দশকে সংকুচিত হয়েছে এই পাহাড়ের জঙ্গল। উত্তরাখণ্ডের মানুষজন একবাক্যে বলছেন, আজ হিমালয় পর্বতের সবচেয়ে বড় বিপদ ‘চৌড়ি সড়ক’।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৭

শুনেছি উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ে বিরামহীন গতিতে চলছে নগরায়ন। আসলে তথাকথিত ‘উন্নয়ন’-এর মানদণ্ডকে উঁচু, আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে পাহাড় তথা প্রকৃতিকে ধ্বংস করছে মানুষ আর মানুষের সরকার।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৬

হৃষীকেশের লছমনঝুলা পার হলেই শুরু হয়ে যাচ্ছে কেদারখণ্ড। এখান থেকে গঙ্গা অর্ধচন্দ্রাকার হয়ে বেঁকে গিয়েছে। তার সঙ্গে বাঁক নিয়েছে রাজপথ। এর পর গঙ্গা পূর্বমুখী, রাস্তাও।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৫

বাজার ছাড়িয়ে হৃষীকেশ বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছতে প্রায় আধ ঘণ্টা সময় লাগল। দুটি বাসস্ট্যান্ডের একটা সরকারি। কিন্তু খবর নিয়ে জানলাম, এই বাসগুলো সাধারণত জেলা সদরের দিকে যায়। পাহাড়ের বেশি ওপরে যায় না।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৪

হরিদ্বারের সঙ্গে সখ্য সেই ছেলেবেলা থেকে। উত্তর ভারতের বিভিন্ন পাহাড় ভ্রমণকালে এই প্রাচীন শহরকে বারংবার ছুঁয়ে গিয়েছি। সেই সুবাদে স্মৃতির ভাঁড়ার ভরেছে এই শহরকে জড়িয়ে থাকা বিচিত্র সুখকর অভিজ্ঞতায়।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ৩

হরিদ্বার থেকে হৃষীকেশ নিয়মিত লোকাল ট্রেন চলে। ঘণ্টাখানেকের এই ট্রেন সফরে সহজেই হৃষীকেশ পৌঁছে যাওয়া যায়। পকেটেরও খানিক সাশ্রয় হয়। সেখান থেকে বাস ধরব পরবর্তী গন্তব্যের জন্য। এরকমই পরিকল্পনা করা হয়েছে।

গাড়োয়ালের গহীন পথে পর্ব ২

যেমন বিহারের গাছপালা দেখে বিহারকে চেনা যায়। সেখানে যাত্রাপথের দু’পাশের প্রকৃতি সবুজ হলেও সেই সবুজ বাংলার মতো ততটা ঘন ও সতেজ নয়।