বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ধারাবাহিক উপন্যাস

এই মায়াপথ পর্ব ১০

ইউনিভার্সিটি চত্বরে প্রচুর আলোর ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন। সেই আলোয় উদ্ভাসিত থোকা থোকা বেগুনি জারুল ফুল, আবির-লাল কৃষ্ণচূড়া আর চিরহরিৎ রাধাচূড়া। স্বাগতা ঠোঁট কামড়ে হাঁটছে পাশে। বিতান বলার মতো কথা খুঁজে পাচ্ছিল না।

এই মায়াপথ পর্ব ৯

সে উদাস হয়ে যেত। মনে ফুটে উঠত আগুনরঙা কৃষ্ণচূড়া। সাইকেল চালিয়ে সে কল্যাণী শহর পেরিয়ে যেত। ঘুঙুরখোলা নিসর্গ তাকে ডাকে, আকাশে পরিক্রমা সেরে পাখির ঝাঁক ফেরে, দূরতম পথের ইশারায় কেউ যেন তাকে ডেকে চলে।

এই মায়াপথ পর্ব ৮

স্বাগতা তার কে ছিল? যা ছিল তা নিতান্তই বয়সের আবেগ, যার শেষফল ছিল শুধু একটা শূন্য। কেন তাহলে ট্রেন থেকে নেমে উদভ্রান্ত মনে হাঁটতে হাঁটতে সে নদীর কাছে, জীবনের বিপুল তরঙ্গের কাছে একা থাকতে চাইছে?

এই মায়াপথ পর্ব ৭

দেবল হাত তুলে গাড়িকে কাছে আসতে বলল। উঠে পড়। যেতে যেতে কথা হবে। কত টোটো দেখছিস চারদিকে? ইস, আমাদের সময়ে যদি টোটো থাকত! আরও উদ্দাম লাইফ হত। সাইকেল করে কত আর ঘোরা যেত! থ্রিলিং লাগছে না?

এই মায়াপথ পর্ব ৬

বিতানের জীবনে কেউ এলে তাকে জড়িয়ে সে থাকবে, চলে যেতে দেবে না, রাধাচূড়ার হলুদ ফুল ছুঁয়ে পাশাপাশি হেঁটে যাবে অনন্তকাল। এখনও সে একা, তবু স্বপ্নেরা রাতে প্রজাপতি হয়ে উড়ে যায় নির্জন প্রান্তরে, কারও কাঁধে মাথা রেখে সে সূর্যাস্ত দেখে।

এই মায়াপথ পর্ব ৫

কোনও সাক্ষী রাখা হয়নি। কেউ কোথাও নেই, কাকপক্ষীও টের পাবে না, দেখেশুনে আগুন লাগিয়ে আমবাগানের ভেতর দিয়ে হেঁটে দু’জন ঘোষপাড়ার কাছে পৌঁছল। সবাইকে গল্প শোনানো হল যে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছিল, পালিয়ে এসেছে।

এই মায়াপথ পর্ব ৪

পাঁচ বছরের ইউনিভার্সিটি জীবনের এই একটি ঘটনা সে ভুলে যেতে চেয়েছে। সবুজ স্নিগ্ধতায় মোড়া শান্ত ইউনিভার্সিটির গায়ে কলঙ্কের দাগ লেগেছিল, আগুন জ্বলেছিল চারদিকে। অশান্তির সেই আগুনে কত সম্পর্ক পুড়ে ছাই হয়ে গেল হঠাৎ করে।

এই মায়াপথ পর্ব ৩

আমবাগানের মেঠোপথ ধরে ইউনিভার্সিটির রাস্তায় এল তারা দু’জন। হাত ধরাধরি করে ফিরল। হস্টেলে পৌঁছতেই পিনাকী টিপ্পনী কাটল, ওরে শালা, নদে গৌর-নিতাই এল দেখছি!

এই মায়াপথ পর্ব ১

গিজার চালিয়ে গরম জলে স্নান করে নিল বিতান। স্নানের অবকাশ বা জায়গা, কোনওটাই সারাদিন মিলবে না। মাঙ্কি টুপি পরে নিল। ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ধাত আছে, খুব ভোগায়। তাই সাবধান হওয়াই ভাল।