বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

ধারাবাহিক উপন্যাস

এই মায়াপথ পর্ব ৭

দেবল হাত তুলে গাড়িকে কাছে আসতে বলল। উঠে পড়। যেতে যেতে কথা হবে। কত টোটো দেখছিস চারদিকে? ইস, আমাদের সময়ে যদি টোটো থাকত! আরও উদ্দাম লাইফ হত। সাইকেল করে কত আর ঘোরা যেত! থ্রিলিং লাগছে না?

এই মায়াপথ পর্ব ৬

বিতানের জীবনে কেউ এলে তাকে জড়িয়ে সে থাকবে, চলে যেতে দেবে না, রাধাচূড়ার হলুদ ফুল ছুঁয়ে পাশাপাশি হেঁটে যাবে অনন্তকাল। এখনও সে একা, তবু স্বপ্নেরা রাতে প্রজাপতি হয়ে উড়ে যায় নির্জন প্রান্তরে, কারও কাঁধে মাথা রেখে সে সূর্যাস্ত দেখে।

এই মায়াপথ পর্ব ৫

কোনও সাক্ষী রাখা হয়নি। কেউ কোথাও নেই, কাকপক্ষীও টের পাবে না, দেখেশুনে আগুন লাগিয়ে আমবাগানের ভেতর দিয়ে হেঁটে দু’জন ঘোষপাড়ার কাছে পৌঁছল। সবাইকে গল্প শোনানো হল যে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যাচ্ছিল, পালিয়ে এসেছে।

এই মায়াপথ পর্ব ৪

পাঁচ বছরের ইউনিভার্সিটি জীবনের এই একটি ঘটনা সে ভুলে যেতে চেয়েছে। সবুজ স্নিগ্ধতায় মোড়া শান্ত ইউনিভার্সিটির গায়ে কলঙ্কের দাগ লেগেছিল, আগুন জ্বলেছিল চারদিকে। অশান্তির সেই আগুনে কত সম্পর্ক পুড়ে ছাই হয়ে গেল হঠাৎ করে।

এই মায়াপথ পর্ব ৩

আমবাগানের মেঠোপথ ধরে ইউনিভার্সিটির রাস্তায় এল তারা দু’জন। হাত ধরাধরি করে ফিরল। হস্টেলে পৌঁছতেই পিনাকী টিপ্পনী কাটল, ওরে শালা, নদে গৌর-নিতাই এল দেখছি!

এই মায়াপথ পর্ব ১

গিজার চালিয়ে গরম জলে স্নান করে নিল বিতান। স্নানের অবকাশ বা জায়গা, কোনওটাই সারাদিন মিলবে না। মাঙ্কি টুপি পরে নিল। ঠান্ডা লেগে যাওয়ার ধাত আছে, খুব ভোগায়। তাই সাবধান হওয়াই ভাল।

কুসুমের মধু শেষ পর্ব

দেবকুমারের কথা শোনার পর রবির বুকের ভেতর একটা অস্থির তরঙ্গ বয়ে গেল। তাঁর মনে পড়ল বজরায় বসে দ্বিজুবাবুর গলায় গান শোনা। আহা! কী তাঁর গলা! দ্বিজেন্দ্রর ছেলে মন্টু তথা দিলীপও গান গায় অপূর্ব।

কুসুমের মধু পর্ব ২১

হাতজোড় করে দাঁড়ানো দ্বিজেন্দ্রর অসহ্য। এ যেন নিজেকে অপমান। কোনও মানুষের সামনে করজোড়ে দাঁড়ানো উচিত নয়। কেউ সাধারণ নয়। প্রত্যেকেরই এক অপূর্ব শক্তি আছে। তা বুঝতে বুঝতেই মানুষের দিন চলে যায়।

কুসুমের মধু পর্ব ২০

দ্বিজেন্দ্র জানলা দিয়ে বাইরে উদাস চোখে তাকালেন। নরম রোদে পৃথিবী ভরে আছে। কী এক অবসাদ তাঁকে ঘিরে ধরে। নিজের লেখা কত যে গানের কলি মনে ভেসে ভেসে বেড়ায়। তাঁর এত কষ্টের কারণ তিনি যেন বুঝতে চান না।