বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

চলচ্চিত্রকথা

শতবর্ষে ফিরে দেখা : দুই স্রষ্টার যুগলবন্দি

‘পথের পাঁচালী’ নির্মাণের সময় সত্যজিৎ একজন তরুণ ক্যালিগ্রাফিস্ট, প্রচ্ছদশিল্পী, নামী বিজ্ঞাপন সংস্থার কর্মী। আর পারিবারিক কৌলীন্যে সুকুমার রায়ের ছেলে ও উপেন্দ্রকিশোরের নাতির পরিচিতি। কিন্তু রবিশঙ্কর ততদিনে রীতিমতো প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয়।

দর্শক সাবালক হলে সিনেমাও সাবালক হবে

শুরু থেকেই সিনেমা মুনাফাবাজদের কবজায়। মূলত শিল্পবিপ্লবের ঘাঁটি, ইওরোপ ও আমেরিকাতেই সিনেমার রমরমা। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে ইওরোপ আর আমেরিকার দেখানো রাস্তায় হাঁটতে অভ্যস্ত গোটা পৃথিবী। সিনেমা তার বাইরে যাবে কীভাবে!

পর্দা থেকে সামাজিক ও একক অন্ধকারে

অনেকে মনে করেন, হলিউডের বৃহৎ পুঁজিনির্ভর স্টুডিও সিস্টেমের মধ্যে দিয়ে যে বিভিন্ন ঘরানা বা genre-র ফিল্ম তৈরি হত তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী ঘরানা হল এই ‘Film noir’।

মাধ্যমই বার্তা

চলচ্চিত্র বা অন্যান্য অডিও-ভিস্যুয়াল কমিউনিকেশনের মাধ্যমে আমরা যেটাকে বিষয়বস্তু বা ‘কন্টেন্ট’ হিসেবে ‘কনজিউম’ করে থাকি, তা কখনওই তার প্রযুক্তি থেকে বিচ্ছিন্ন বা মুক্ত নয়।

দুই ভুবনের সৌমিত্র

সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয়টা হল সম্পূর্ণ আচরণবাদী। অর্থাৎ, ক্যামেরার সামনে তিনি তাঁর অভিনেয় চরিত্রের মতোই আচরণকে তুলে ধরছেন। চরিত্রের চলাফেরায় কিংবা কথাবার্তায় কোনও বাড়াবাড়ি করছেন না।

বিতর্কিত চিরায়ত

গ্রহীতার আবেগকে জাগ্রত করার ক্ষেত্রে ‘দ্য বার্থ অব এ নেশন’ এক চূড়ান্ত নেতিবাচক উদাহরণ তৈরি করেছে। অত্যন্ত উন্নতমানের আঙ্গিকে সমৃদ্ধ হয়েও এ ছবি এমন এক চিন্তাধারার বাহক হয়ে আছে যাকে চরম প্রতিক্রিয়াশীল ছাড়া আর কিছুই বলা যায় না।

ফেলুদার আড়ালে

সত্যজিৎ যে বলেন ‘ছোটদের ছবি’ থেকেও নাকি তাঁকে ‘খোলাখুলিই’ চিনতে পারা যায়, তাহলে ছোটদের লেখা থেকেই বা নয় কেন? এখানেও তো খুব বেশি নিজেকে কিছু লুকোননি সত্যজিৎ! বলা চলে আত্মজীবনী সত্যজিৎ লিখেছেন; ধারাবাহিকভাবে লিখেছেন! লিখেছেন প্রদোষচন্দ্র…

সিনেমা মানুষকে পাল্টাতে পারেনি

তিনি একজন স্বপ্নদর্শী। তাই প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের বাইরে বেরিয়ে ভেবেছিলেন, সিনেমা মানুষের মঙ্গলও করবে। গ্রিফিথ লিখেছিলেন, সিনেমার এমন একটা আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা আছে যে এই সিনেমার মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষ একদিন একে অপরকে চিনতে পারবে। ভাল করে…