বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

গল্প

মেঘনা পার হচ্ছে কীর্তনখোলা-এক

চুয়াল্লিশ বছর আগে যে স্থান তাদের কাছে বিদেশ বলে গণ্য বা নির্ধারিত হয়েছিল, কোনও মাত্রাতেই তা আর নিজেদের বলে মনে করাও যাবে না। এসব সেই যখন আমাদের দেশে স্বাধীনতা এসেছিল।

কে নিবে তাহারে

দশ দিন হামার লড়াই কেমন হবে বউদিদি? করোনা খুব বেড়ে যাবে, লকডাউন ফির হবে, তখন দশ দিন দু’মাস হয়ে যাবে। লেকিন আমি তো কাম করেই পয়সা নিতে চাই। বলল রুকসানা।

গাইড

দূরে সাতপুরা পাহাড়শ্রেণি নানা ঢেউয়ে নানা রং নিয়ে দিগন্তে এলিয়ে আছে। এগোতে এগোতে চোখে পড়ে, পশ্চিম আকাশের দিকে মুখ করে সর্দার প্যাটেল দাঁড়িয়ে আছেন, যেন কত একলা মানুষ।

কুয়াশার পাখি

বাড়ির পেছনের বাঁশঝাড়ে রোজ ভোরবেলা আশ্চর্য এক পাখি এসে বসে। সেও নিজে দেখেনি কিন্তু অনেকের মুখে শুনেছে। তার গলা ও ডানায় রামধনুর সবক’টা রং আছে।

এমনি

যে খাটে শুয়ে আছে মনিরুল, সেটা মসজিদ থেকে আনা হয়েছে। পবিত্র শয্যা। মনিরুলের মুখ ঢাকা কাফনে। খোলা রাখতে পারত। মনিরুল দেখতে পেত, প্রিয় চাঁদটা চলেছে ওর সঙ্গে সঙ্গে।

নীল পথ

দিনেরবেলায় পাখি আর রাতে বাদুড় আসে ফল খেতে। ঝটাপটির আওয়াজ হয়। সময়ে সময়ে এত ফল নীচে পড়ে ফেটে যায় যে সুরকির রাস্তাটাকে দেখায় নীল। গাঢ় নীল।

অসময়

গলির মোড় থেকে দেখল, স্করপিওটা তার দরজা আড়াল করে। হঠাৎ তার এখান থেকে মনে হল, গাড়ির ইঞ্জিনটা গরম, ঠান্ডা হয়নি। গাড়িটা এখনই যাবে না। সে ঘড়ি দেখল। এলই যদি, আগে এল না কেন?

অগ্নিতুষার

তুষ্টি কিছুক্ষণ চোখ কুঁচকে মাধবের দিকে তাকিয়ে রইল। ওর কি চোখ খারাপ হয়েছে? হতেই পারে। বয়স তো ওরও কম হল না। না কি কেঁদেছিল বলে এখনও চোখ ঝাপসা হয়ে আছে?

অসুখ

মায়াদেবীকে ভোলা সহজ নয়। পুরনো, নাকভাঙা, হাতের আঙুল খসে পড়া অপ্সরামূর্তি দেখে বুকের ভেতর যে দুঃখের সঞ্চার হয়, অনেকের মনে মায়াদেবী সেইরকম হয়ে রইলেন। সে বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল না।