বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

গল্প

প্রবেশ নিষেধ

রহস্য তো আছেই কিন্তু একটা মানুষ বছরের পর বছর বাড়ি না ফিরে, পরিজনদের সঙ্গে যোগাযোগ না রেখে, একটা কারখানার মধ্যে একা একা অজ্ঞাতবাস করছে! কারখানা তো আর আশ্রম নয়। এখানে সব কিছু বড় যান্ত্রিক। সুন্দর নিসর্গে ডুবে যাওয়ার কোনও সংস্থান নেই।

নস্ হয়্যা গেল্

বেজি যেমন দাঁড়াশের নড়াচড়া লক্ষ করে, ধীরেন নিঃশব্দ দ্রততায় নজর করে, একটা লজ্‌ঝড়ে ট্রাক ধীরে পার হয় জায়গাটা। লালের ওপর ধূসর ছায়া পড়ে, একটা লাল-কালো বিশাল ডানার পাখি সাৎ করে ছিটকে উল্টে যায়।

পেডিগ্রি

পাহাড়ের পথে পথে ঘুরে বেড়ানো লোমওলা কুকুর! নো ব্রিড, নো পেডিগ্রি! মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে মন্দ্রিতার। এর চাইতে রাস্তা থেকে কুকুরের বাচ্চা নিয়ে আসতে পারত রিকি। সোশ্যাল মিডিয়ায় জব্বর একটা পোস্ট তো দেওয়া যেত।

বন্যার পরে

শোনো, খুব তাড়াতাড়ি কিছু রিলিফের ব্যবস্থা করতে হবে। সামান্য মাল রেডি হয়েছে, ওগুলো নিয়েই তুমি এলাকায় যাও। বিরোধীদের মুখ বন্ধ করো, স্থানীয় লোকদের ঠান্ডা করে রাখো বুঝিয়েসুঝিয়ে।

নায়িকার অটোগ্রাফ

তিনি হাসলেন। সৌজন্য রক্ষার জন্য কৃত্রিম হাসি। কিন্তু অভিনয় তো তাঁর সহজাত দক্ষতা। ওই বানানো হাসিটার মধ্যেও প্রায় আসল হাসির মতো একটা মন ভাল করা ব্যাপার আছে।

বিজোড়

ছিন্ন, অযত্নবর্ধিত এই সম্পর্কটির কী আখ্যা হতে পারে, জানে না শুদ্ধ। এ যেন ধুলোখেলা ফেলে পালানো সেই খেলুড়ে; যে আসব বলেনি, আসব বলেই। ব্যাখ্যার কোনও এক স্তরে এসে চমকে ওঠে শুদ্ধ।

নদী, গাছ, পাখি ও দুটো জ্বলন্ত চিতা

সুন্দরী নদীটার চোখ থেকে এখন ঝরঝর করে জল ঝরতে লাগল। ছাতিম গাছটাও ঝরঝর করে পাতা ঝরাল। শ্বাস ফেলল। লম্বা লম্বা শ্বাস। একলা পাখিটা দুটো ডানা মেলে উড়ে এল।

বুড়ো মরেও ছুটিয়ে মারল

ভেঁড়েবুড়ো মোড়লের হাতটা ধরল। ফিসফিস করে বলল, সারাজীবন তুমাদিগে জ্বালিয়ে মেরেছি। মিথ্যা কেসে ফাঁসিয়েছি। পাপ করেছি। পাপ। পাপের পেরাছিত্তি করতে একটা সুযোগ দাও।

ওয়ান রুম ফ্ল্যাট

শিবনাথ এদিক ওদিক তাকালেন। পার্ক এখন ফাঁকা। একটু পরে রোদ মরে এলে সবাই আসবে। তার আগে নিজের সমস্যার সমাধান করে নেবেন। তাই তিনি ফোন করে ব্যানার্জিবাবুকে তিনটের সময় পার্কে আসতে বলেছেন।

রূপ অরূপ

দুটো বাড়ির মাঝখানে কোনও দরজা নেই ঠিকই, এ বাড়ির গেট থেকে বেরিয়ে পাশের বাড়ির গেট দিয়ে ওর কাছে যেতে হবে, এইটুকুও যাওয়ার অনুমতি নেই। ভয়ঙ্কর সেই বাদশা নাকি রাস্তাতেই বসে আছে।