বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

কুসুমের মধু

কুসুমের মধু পর্ব ১২

তিনি এখন অনেক দিন কলকাতায় চাকরির জন্য আছেন। বেশিরভাগ দিন মহড়ায় যান। থিয়েটারপাড়ায় ঘোরেন। আর দূর থেকে দেখেন বঙ্গদেশে রাজনীতিতে কী এক জোয়ার লেগেছে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে।

কুসুমের মধু পর্ব ১১

বাড়ি ফিরতেই একটা যেন অন্য গন্ধ টের পেলেন দ্বিজেন্দ্র। কেমন যেন মনখারাপ মনখারাপ গন্ধ। সুরবালা কোনও কথা না বলে ভেতরে ঢুকে গেল। দ্বিজেন্দ্র কিছু বুঝতে পারলেন না।

কুসুমের মধু পর্ব ১০

কন্যাসন্তান না থাকলে দ্বিজেন্দ্র জীবনের পূর্ণতা অনুভব করতে পারতেন না। দ্বিজেন্দ্র মেয়ের মধ্যে তাঁর মাকে খুঁজে পান। বিলেতবাসের কারণে তিনি মাকে আর পাননি। দ্বিজেন্দ্রর মনে হয়, এখন যেন মা ফিরে এসেছেন।

কুসুমের মধু পর্ব ৯

একটা ক্লাব তাঁরা তৈরি করেছেন। ডাকাতিয়া ক্লাব। ডাকাতরা যেমন চিঠি লিখে ডাকাতি করতে যায়, দ্বিজেন্দ্ররাও তেমন এর ওর বাড়ি চিঠি লিখে ভূরিভোজ করতে যান। আজ তাঁরা আশুবাবুর বাড়িতে ডাকাতি করবেন!

কুসুমের মধু পর্ব ৮

কুষ্টিয়ায় থাকাকালীন দ্বিজেন্দ্র বেশ কয়েকবার শিলাইদহে গেছে্ন। রবিবাবুর আন্তরিক ইচ্ছায় তিনি আলুচাষের জন্য সর্বতোভাবে সাহায্য করেছিলেন। কলকাতা থেকে উচ্চমানের সার সরবরাহ করেছিলেন। কিন্তু কাজের কাজ তেমন হয়নি।

কুসুমের মধু পর্ব ৭

সুরবালা আছে কলকাতায়। নির্জনে তিনি তার কথাই ভাবেন। প্রথমে দ্বিজেন্দ্রর সুরবালাকে আগাগোড়া শান্ত, নির্বিরোধী মনে হয়েছিল। তবে সুরবালার ব্যক্তিত্ব অসামান্য। জেনির কথা তিনি তাকে বলেননি। সব কথা বলা যায় না।

কুসুমের মধু পর্ব ৬

সে হঠাৎ চুপ করে গেল। বহুদূর থেকে যেন ভেসে এল এক উদাসী মেয়ের মুখ। নীলনয়না সেই মেয়ের ঠোঁট অভিমানে ফুলে রয়েছে। দ্বিজেন্দ্র গুমরে উঠল। কী করছে এখন জেনি? তার সঙ্গে এ জীবনে আর তার দেখা হবে না।

কুসুমের মধু পর্ব ৫

দ্বিজেন্দ্র চট করে উঠে দাঁড়াল। একটু পরে সে দেখল জেনি আবছা অন্ধকারে মাঠের মধ্যে চুপ করে দাঁড়িয়ে আছে। দ্বিজেন্দ্র পিছনে গিয়ে দাঁড়াতেই জেনি চমকে উঠল। তাকে দেখেই সে তাড়াতাড়ি ফিরতে লাগল। দ্বিজেন্দ্র যেতে দিল না। সে ওর হাত চেপে ধরল।

কুসুমের মধু পর্ব ৪

সে বারবার মাথা নাড়িয়েছিল। জেনি তার একদম ছোটবেলার বন্ধু। একটু খামখেয়ালি কিন্তু বড় ভাল মেয়ে। তার সঙ্গে বিয়ে হলে দ্বিজেন্দ্র খুশি হবে। এসব কথা রবার্ট উচ্ছ্বাসের সঙ্গে বলেছিল।

কুসুমের মধু পর্ব ৩

দ্বিজেন্দ্র জেনিকে চুপচাপ দেখছিল। মাথার রেশমি চুল অগোছালে সামনে চলে আসছে। নিজের রূপ সম্পর্কে সে বোধহয় সচেতন নয়। জানলার শার্সি বেয়ে যেটুকু আলো পড়ছে তাতে তাকে কোনও এক নিঃসঙ্গ দ্বীপের রাজকুমারী মনে হচ্ছে।