বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

কুসুমের মধু

কুসুমের মধু শেষ পর্ব

দেবকুমারের কথা শোনার পর রবির বুকের ভেতর একটা অস্থির তরঙ্গ বয়ে গেল। তাঁর মনে পড়ল বজরায় বসে দ্বিজুবাবুর গলায় গান শোনা। আহা! কী তাঁর গলা! দ্বিজেন্দ্রর ছেলে মন্টু তথা দিলীপও গান গায় অপূর্ব।

কুসুমের মধু পর্ব ২১

হাতজোড় করে দাঁড়ানো দ্বিজেন্দ্রর অসহ্য। এ যেন নিজেকে অপমান। কোনও মানুষের সামনে করজোড়ে দাঁড়ানো উচিত নয়। কেউ সাধারণ নয়। প্রত্যেকেরই এক অপূর্ব শক্তি আছে। তা বুঝতে বুঝতেই মানুষের দিন চলে যায়।

কুসুমের মধু পর্ব ২০

দ্বিজেন্দ্র জানলা দিয়ে বাইরে উদাস চোখে তাকালেন। নরম রোদে পৃথিবী ভরে আছে। কী এক অবসাদ তাঁকে ঘিরে ধরে। নিজের লেখা কত যে গানের কলি মনে ভেসে ভেসে বেড়ায়। তাঁর এত কষ্টের কারণ তিনি যেন বুঝতে চান না।

কুসুমের মধু পর্ব ১৯

দাদামশায় মাঝে মাঝে বাড়িতে আসেন। আজকেও সন্ধেবেলায় হইহই করে এলেন। বয়স হওয়া সত্ত্বেও তাঁর মনের শক্তি কমেনি। দ্বিজেন্দ্র না থাকলে মন্টু ও মায়াকে দেখার দায়িত্ব তাঁর। এ বাড়ি এলে তিনি কখনও খালি হাতে আসেন না।

কুসুমের মধু পর্ব ১৮

তাঁর বিস্ময় লাগল শিশির ভাদুড়ীর চাণক্য দেখে। কী অবিশ্বাস্য অভিনয় তাঁর! শেষ হবার পর তিনি গ্রিনরুমে গিয়ে শিশির ভাদুড়ীকে জড়িয়ে ধরে বলেছিলেন, আমার কল্পনায় যে চাণক্য এঁকেছি, তাকেও ছাড়িয়ে গেছে মঞ্চের চাণক্য। সাবাশ!

কুসুমের মধু পর্ব ১৭

গিরিশ ঘোষ দাম্ভিক প্রকৃতির মানুষ। মিশুকে নন। তাছাড়া বয়সের কারণে তিনি খুব একটা কোথাও যেতে চান না। তবু দ্বিজেন্দ্রের আহ্বানে গিরিশ ঘোষ সুরধামে এলেন। দ্বিজেন্দ্র তাঁকে যথাযথ সম্মান জানিয়ে ঘরে আনলেন।

কুসুমের মধু পর্ব ১৬

দ্বিজেন্দ্র হারমোনিয়াম টেনে নিলেন। মাথার মধ্যে একটা গান ঘুরছে। ‘মেবার পতন’ বলে একটা নতুন লেখা ধরেছেন তিনি। সেই নাটকে এই গানটি থাকবে। ‘মেবার পতন’ নাটকটি রাজপুত কাহিনি হলেও এর ভাবনা অন্যরকম।

কুসুমের মধু পর্ব ১৫

যার মা থাকে না তার মতো দুঃখী কেউ হয় না। তিনি কি আর সুরবালার মতো ওদের চোখে চোখে রাখতে পারেন! নিজেকেই ধিক্কার দিলেন দ্বিজেন্দ্র। মায়াকে কিছুক্ষণ তিনি বুকে জড়িয়ে থাকলেন। তাঁর চোখ জলে ভরে উঠল।

কুসুমের মধু পর্ব ১৪

বৈঠকখানায় অন্যান্য বন্ধু সব হাজির। যথারীতি হাসিঠাট্টা, গানবাজনায় সময় কাটতে লাগল। রবিবাবু একটু দূরে, নিজেকে যেন আড়াল করে বসে আছেন। ঠোঁটে মৃদু হাসি। কথা কম বললেও তিনিই মধ্যমণি।

কুসুমের মধু পর্ব ১৩

দ্বিজেন্দ্র একটার পর একটা নাটক লিখতে শুরু করলেন। দ্বিজেন্দ্রের নাটক লেখার ইচ্ছে শুধু ইতিহাস থেকে। তিনি পড়ে দেখেন, ভারতবর্ষ প্রবল পরাক্রান্ত বীরের দেশ। তাঁরা যেন চাপা পড়ে আছেন। তিনি খুঁজে যান সেই ইতিহাস।