বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

কবিতা

দীপঙ্কর বাগচীর দুটি কবিতা

নীল সরস্বতী যা কিছু লিখেছি আমি, প্রাণে মনে, কিংবা অচেতনে সব সত্যি হয়ে গেছে... ঘোর বর্ষা, নেমেছে উঠোনে শুরুতে ভেবেছি দেখো, আনমনে এসবই ছেলেখেলা। যৌবন তারুণ্য জুড়ে; বয়ে গেছে অসুখের বেলা কোথায় বেজেছে শঙ্খ, মহামারী বিশ্বজুড়ে জাগে…

বিজয় সিংহের দুটি কবিতা

রুমানি জোড়া সূর্যমুখী বুকে বাগান হয়েছ; ভোর জাগে ব্যালকনির কোণে; আমি ব্যালকনির হয়ে ব্যালকনির প্রকাশ্য হয়েছি এই অনতি সকালে ক্যাকোফনি নৈঃশব্দ্যে ফিরেছে শুধু অমৃতের রোদ ভিগ মাগে রাস্তার ওধারে। মানে ঠাকুর বলছেন ও লিখেছে মাস্টার--…

মৃদুল দাশগুপ্তের দুটি কবিতা

১ দেখাবে আলোর বেশি, জ্বল জ্বলে, জলের চেয়েও কিছু অধিক তরল উদ্বেগে বাতাস বুঝি যেতে গিয়ে সোজাসুজি হতবাক, স্থানুবৎ, অচল অচল। কী আর তখন ভারী, পালকের চেয়ে লঘু লোহা ও পর্বতমালা চপল পশম দেহ, বাধা ভেদ করে তাহলে দৌড়োবে জোরে যেন চক্ষু…

তৃতীয় আয়তনের আলো ও অলোকরঞ্জন

বাঁধা সিলেবাসের সরলীকরণে তিনি কবিতার রসজ্ঞ আস্বাদনকে কখনও অগ্রাহ্য করেননি। পরিবর্তে, কবিতার ওপরে চাপিয়ে দেননি নিজের বিশ্বসাহিত্যের মননক্ষম অহংবোধকে।

মারুফ রায়হানের দুটি কবিতা

কবিতার মুহূর্ত গুমোট গম্ভীর অন্ধকার। কোথাও আশা নেই, ভালবাসা নেই। তারপরও নক্ষত্রেরা ফুটে উঠতে থাকে আকাশের ক্যানভাসে। আমার কাছে কবিতা এভাবে আসে। এই বাংলায় একটা দোয়েলকে ক্ষতবিক্ষত করে ছুড়ে ফেলা হয় ভাগাড়ে, শীতলক্ষ্যায়, যমুনায়। রূপালি জলের…

ধৃতিরূপা দাসের দুটি কবিতা

পৃথিবীর নিম্নচাপে ঈশ্বর ফেলে চলে গেছে অতএব গুহার ভেতর না চিনতে পারা ফুলগুলি... অথচ কে নাম রাখে বলো? প্রাণীটি তাদের চেয়ে বেশি বেঁচে থেকে মায়া টের পায় সরল খাদকে মিশে যাওয়া জটিল খাদকে মিশে যাওয়া কোষের কি কোনও দিক থাকে?…

সুভাষ বিশ্বাসের দুটি কবিতা

কাপালিক তোমার মৃত্যুযোগ লেখা খামে উড়ে এসেছে চিঠি রাত্রির কোলাহলে ঘেমে উঠেছে শ্বেতকরবীর পাতা শ্বেতকরবী কি কোনও ইঙ্গিত বোঝে মৃত্যুর করতলে নেমে আসা রাতের এষণা! এইসব দৃশ্যের ভেতর কখন জেগে ওঠে যজ্ঞ আহুতি কেউ টের পাওয়ার ভয়ে কুঁকড়ে বসে…

মণিশংকর বিশ্বাসের দুটি কবিতা

সাবিহার জন্য যদি জল মেশে আরও জলের সাথে কীভাবে বুঝব, কোন জলে সে ভিজিয়েছিল চুল? উৎসর্গ করা হবে এইভাবে মুখ ধুয়ে ফেলি— ক্ষমা করে দাও এই অন্ধকার— দাও মন্ত্র। গর্ভবতী মায়ের মতন সাবধানী একটা শালিখ দূরের জানালা জুড়ে আলো আসে, কিন্তু…

তীর্থঙ্কর মৈত্রর দুটি কবিতা

ভোরবেলার মতন অধিকাংশ ফুল দেখো ফুটে থাকে ভোরবেলা; স্নিগ্ধ, নরম আলোয়; ঘাসের সবুজ ডগা কচি কচি মুখে ধরে শিশিরেতে আলো, এসব বোঝেনি সে তো, তপ্ত রোদ ভালবেসে, গরুর গাড়ির মতো চলে গেছে তবু দূরে-- মাটির পথের বুকে চাকার দাগের রেখা এখনো রয়েছে…

আমহার্স্ট স্ট্রিট নকটার্ন : বিশুদ্ধানন্দ সরস্বতী মারোয়াড়ি হাসপাতাল

শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ক আমাকে চমকে দিয়েছিল বড় শহরের ফুটপাথের মানুষ শান্ত একটা খিদে রঙা আলো সন্ধে সাড়ে আটটাকে রাত করে তুলতে চাইছে কলকাতা ১৯৯৬— গোটা মানচিত্র একটা খাঁচাভর্তি পাখি একটা গুলিতে ঝাঁঝরা প্রাচীন দুর্গের দেওয়াল আমি বালিতে মুখ…