বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Tag

এই মায়াপথ

এই মায়াপথ শেষ পর্ব

মায়ায় বেঁচে থাকে ঘরবাড়ি, জীবন আর সুখদুঃখের দিনরাত। স্বাগতাকে বুকের ভেতরে রেখে তাকে সোহিনীর কাছে ফিরতে হবে। স্বাগতা তাকে পুরনো দিনের ডায়েরি দিয়েছে আর সোহিনী দিয়েছে ঐশী। তার জীবনের অমূল্য উপহার।

এই মায়াপথ পর্ব ১৯

স্বাগতা শেষ বারের মতো তার কাছে, কিছুদিন পরে চুল্লিতে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে তার শরীর। এই ছবিটাকে জোর করে মন থেকে সরাতেই সামনে ঝুঁকে পড়ল বিতান। কাছে টেনে গভীর আবেগে আর আশ্লেষে সে স্বাগতাকে পেতে চাইল।

এই মায়াপথ পর্ব ১৮

সোহিনী স্পষ্ট বুঝতে পারছে, স্বাগতাকেই দেখতে যাচ্ছে বিতান। মৃত্যুর ছায়া যাকে গ্রাস করে ফেলছে তার কাছে বিতান যাচ্ছে। এটা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হীন মানসিকতা। তারও কোমল অনুভূতি আছে।

এই মায়াপথ পর্ব ১৭

সবাই দলবেঁধে সিনেমা দেখতে চলল। রেস্তোরাঁয় খেল, তথাগত, শাক্যজিৎ সাফল্যের জন্য খাওয়াল। হস্টেলের নিয়ম ভেঙে সবাই হুইস্কির বড় বোতল নিয়ে ছাদে বসল গোল হয়ে, হাসি-ঠাট্টা-রসিকতায় উদ্বেল হল রাত, অনেক রাত পর্যন্ত গল্পগুজব চলল।

এই মায়াপথ পর্ব ১৬

প্রিন্সেপ ঘাটে দুপুরে লোকজন কম। প্রেমিক-প্রেমিকারাই সংখ্যাই বেশি। কাঠের বেঞ্চে ঘনিষ্ঠভাবে বসে আছে। মাথার ওপরে ঘষা কাচের মতো স্বচ্ছ আকাশ, পুজোর গন্ধ চারদিকে, জল কেটে লঞ্চ এগিয়ে চলেছে।

এই মায়াপথ পর্ব ১৫

দু’মাসের জন্য গ্রীষ্মাবকাশ পড়ে গেল। বিতান স্বাগতার সঙ্গে দেখা করল না, স্বাগতাও দেখা করতে এল না। দু’মাসের ছুটি ঘরেই কাটাল সে। বন্ধুদের সঙ্গে সন্ধেয় গল্পগুজব আর পড়াশোনা করে সময় কেটে গেল।

এই মায়াপথ পর্ব ১৪

ফেরার সময় ট্রেনে দরজার ধারে সে দাঁড়িয়ে ছিল। বসন্ত এসেছে, ফুরফুরে হাওয়া, শরীর সান্ধ্য হাওয়ার আদর মেখে নিলেও মন বিক্ষিপ্ত। শিল্পাঞ্চল স্টেশনে নেমে রেললাইন বরাবর সোজা হাঁটতে শুরু করেছিল। কী করবে?

এই মায়াপথ পর্ব ১৩

সঙ্গম সিনেমাহল রেললাইনের পাশেই। টিকিট কেটে ওরা রেললাইনের ওপরেই বসল। এই লাইনটা পরিত্যক্ত, কোনও ঝুঁকি নেই। কত কথা জমে ছিল। বন্যার জলের মতো তোড়ে বেরিয়ে আসছিল।

এই মায়াপথ পর্ব ১২

বারকয়েক ওই রাস্তাতেই ঘুরল তারা। স্বাগতার চুলের সুগন্ধ টের পাচ্ছিল সে। নিবিড় রাত, দূরে গানের মঞ্চ, আকাশে খইফোটানো তারা, রূপকথার মতো সময় কেটে যাচ্ছে। স্বাগতা তার হাতে চাপ দিয়ে বলল, পরশু দেখা হবে।

এই মায়াপথ পর্ব ১১

প্ল্যাটফর্মের বেঞ্চে বসা বিতানের চোখ তখন সামনে ইউনিভার্সিটি গেস্টহাউসের দিকে, ট্রেনের কামরা পেরিয়ে গোলাপি আকাশ খুঁজে পেতে চাইছিল। ঠোঁট কাঁপছে তার, হাঁটুর দুলুনি থেমে গিয়েছে। স্বাগতা একাই আসছে।