বাংলায় প্রথম সম্পূর্ণ অনলাইন একটি সাহিত্য পত্রিকা
Browsing Category

গল্প

দিনকে দিন হাঁড়ির অবস্থা খুব খারাপ হতে বসেছে। বাবা গঞ্জের একটা কাপড়ের দোকানে মাসমাইনের কাজ করে। সেই দোকান এক মাস হল বন্ধ। বাবা আগের মাসের বেতনটা খুঁজতে গেছিল। মালিক বলেছেন, এখন টাকা টাকা কোরো না তো। দেখতেই পাচ্ছ কী অবস্থা ব্যবসার।
আরও পড়ুন
গোরু হাঁটিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সে দুশো ও খোরাকি বাবদ পঞ্চাশ টাকা পাবে। আর হাঁটার ফাঁকে ফাঁকে সে নিজের জীবনকাহিনি বলে গোরুদের। গোরুরা তা শোনে আর মাথা নাড়ায়। এমন বন্ধু আর সমঝদার তার জন্য আর কে আছে?
আরও পড়ুন

রসদ

কাঠের টুলটার ওপরে কিছুক্ষণ ভুরু কুঁচকে বসে রইল মন্মথ। ভেবে দেখার চেষ্টা করল, বাচ্চুর ওপরে তার ঘেন্না হচ্ছে কিনা।…
শাড়িটাকে বাঁ হাতে গোড়ালির ওপর পর্যন্ত তুলে সাবধানে পা ফেলে ঘাটের ধাপ বেয়ে জলে নেমে গেল গঙ্গা। তার সাড়া পেয়ে পুকুরের হাঁসগুলো দু’পায়ে জল কেটে কেটে কাছে আসছিল। একটা একেবারে নীচের ধাপের গায়ে এসে লাগল। গঙ্গা তার পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করে দিতেই সে চলে গেল দুলতে দুলতে।
আরও পড়ুন
দু’দিন আগেও সকালে দোকানে এসেছিল লাবণ্য। সদ্য স্নান সেরে এসেছিল মনে হয়। ওর ভেজা চুলের গোছা লেপ্টে ছিল কপালের ওপরে। কানের পাশে ঝুমকোর মতো চুলের ডগায় থিরথির করে কাঁপছিল একবিন্দু জলকণা। আলো পড়ে হিরের কুচির মতো ঝলকাচ্ছিল। কী স্নিগ্ধ দেখাচ্ছিল লাবণ্যর ঢলঢলে মুখটা।
আরও পড়ুন