বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৮

এতবড় উদাহরণ আগে কখনও দেখেছি? না জীবনে আর দেখতে পাব? এরকম আড়াই ফুট চওড়া মাটির বিছানায় দিনের পর দিন শুয়ে ভারতে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্ন দেখেছিলেন বাবর!

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৭

আমাদের আজকের গন্তব্য ওস-এর কিছু আগে সীমান্ত শহর জালাল-আবাদ পর্যন্ত গিয়ে এই নদী ঢুকে যাবে উজবেকিস্তানের ফারগানা উপত্যকায়, মোগল সম্রাট বাবরের জন্মস্থানে।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৬

আমরা এক পা এক পা করে এগিয়ে যেতে থাকলাম পাহাড়ের পায়ের কাছে। দেখে মনে হচ্ছিল কত কাছে, কিন্তু আসলে অনেক অনেক দূরে। বড় যে কোনও কিছু এমনই। মনে হয় চট করে ছোঁয়া যাবে। যায় না।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৫

অনেকটা নীচে নদী। আর নদীর ওপারে? রং-বেরং মায়াবী জগৎ। গতকালেরটা ছিল ফেয়ারি টেল ক্যানিয়ন আর এটা ফেয়ারি টেল মাউন্টেন। তবে এটা শুধু দূর থেকে দেখার জন্য, দেখে মোহিত হবার জন্য।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ৪

বিশাল জায়গায় অজস্র অলিগলি জুড়ে স্যান্ডস্টোনের অসাধারণ ভাস্কর্য। লাল, হলুদ, কমলা, গোলাপি এমনকি কোথাও কোথাও হালকা নীল বা সবুজের বাহার-ই-বাহার! ছড়িয়ে ছিটিয়ে সবাই নিজের মতো করে মজে গেলাম রূপকথার জগতে।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ২

মানস? সে আবার কে? এই যে সুউচ্চ বেদিটার ওপর অশ্বারোহী যোদ্ধার প্রস্তরমূর্তি, সেই যোদ্ধার নামই মানস। নামটা বাংলার মতো শোনাচ্ছে তো? কিন্তু এ মানস সে মানস নয়।

রেশমপথের কাব্য পর্ব ১

চারপাশের দৃশ্যপট অনেকটা আমাদের উত্তরবঙ্গের মতো। যতদূর চোখ যায় সবুজ আর সবুজ, মাঝে মাঝে দু-একটা ঘরবাড়ি। পরিষ্কার মসৃণ রাস্তার দু’পাশে সারিবদ্ধ গাছ। হুহু করে ছুটে গাড়ি আধ ঘণ্টার মধ্যে শহরে ঢুকল।