বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

কালো মানুষ সাদা কথা শেষ পর্ব

যাব রাজার বাড়ি। আফ্রিকার একমাত্র রাজা যার একশো বউ, পাঁচশো সন্তান। ক্যামেরুনে রাজাদের ‘ফন’ বলে। দেশে বিধিবদ্ধ আইনের সঙ্গে ফনের গতানুগতিক আইন পাশাপাশি চলে।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৯

পশ্চিম আফ্রিকার অন্য দেশগুলোর মতো টোগোও চিনের বিনিয়োগ ও সাহায্যের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। চিনও সুযোগ বুঝে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সরিয়ে আফ্রিকাকে নয়া উপনিবেশ বানানোর তোড়জোড় শুরু করেছে। টোগো তার ব্যতিক্রম নয়।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৮

ডামঙ্গা গ্রামে কলের জল নিতে মেয়েদের ভিড়। হলুদ হলুদ প্লাস্টিক জেরিক্যানের লাইন। বহুদূর থেকে আসে জল নিতে। প্লাস্টিক ওদের কাছে ঈশ্বর প্রেরিত। সদিচ্ছায় ওরা আমাদের পরপর পঁচিশটা জেরিক্যানে জল ভরে দিল।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৭

ইউএনও-র পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৯০ থেকে ২০০৫, এই পনেরো বছরে নাইজেরিয়াতে প্রাচীন রেন ফরেস্টের আশি ভাগ উধাও হয়ে গেছে। জেকিন্স বা গ্যাডসবির মতো সংরক্ষণবাদীরা মনে করেন ক্ষতিপূরণ করা আর কোনওদিন সম্ভব হবে না।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৬

পাঁচ-ছ’বছরের কয়েকটা বাচ্চা ঝোপের মধ্যে কী যেন খুঁজে বেড়াচ্ছে। একটা একেবারে গ্যাঁড়া হলেও পিঠে বইছে একটা দুধের শিশুকে। ভাই হবে হয়তো। বিবর্ণ চেহারাগুলো ধুলোয় মাখা। মলিন ছেঁড়া প্যান্ট, খালি পা, খালি গা।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৫

অনন্য গানভি নিছক ভ্রমণ নয়, একটা অভিজ্ঞতা। পৃথিবীতে এরকম গ্রামের দ্বিতীয় নজির নেই। এখানে এসে বোধোদয় হল আরও কত অজানা, অনন্যসাধারণ জায়গা আছে পৃথিবীতে যা দেখা হয়নি।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৪

ভুডুর গুপ্তরহস্য এখনও পৃথিবীর অন্য প্রান্তে অজানা। পৃথিবীর সবথেকে প্রাচীন, গোপন, রহস্যপূর্ণ সহজাত ধর্ম। এখনও মানুষ ধর্মটাকে ঠিকমতো বুঝতে পারেনি। ইতিহাস বইয়ে ব্রাত্য।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১৩

একটা গোল ঘর দেখিয়ে আবাকু বলল, দেবালয়। রাজার মহিমাকীর্তন করার স্থান। মাটির সঙ্গে মানুষের রক্ত মিশিয়ে গাঁথনি তোলা। যুদ্ধে খতম বা আটক ব্যক্তিকে কুপিয়ে তার রক্ত ব্যবহার হত। জমাট রক্ত সিমেন্টের কাজ করত।

বিপন্ন সাংগ্রি-লা

লুকোনো দেশটি শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে তাবড় দার্শনিক, ধর্মতত্ত্ববিদ, দুঃসাহসিক অভিযাত্রীদের আকর্ষণ করেছে। বর্তমানে চিনের গা-জোয়ারিতে সেই গুপ্ত তিব্বত এখন নব্য সাম্রাজ্যবাদের পীঠস্থান।

কালো মানুষ সাদা কথা পর্ব ১২

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জবরদস্তি কর্তৃত্ব ফলানোর রোগে ফ্রান্সের নিজেরই হাত পুড়েছে। ক্রমশ আন্তর্জাতিক সমর্থন হারাচ্ছে। এখন সময় এসেছে। দাবি উঠেছে, ঔপনিবেশিক চুক্তি বাতিল করে আইভরি কোস্ট আক্ষরিক অর্থে স্বাধীন হোক।