বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

সেকেলে গপ্পো

এদেশে মানুষ আগুন জ্বালিয়ে রাখার জন্য কাঠ, ধানের তুষ, পরের দিকে ঘুঁটে ছাড়াও যার সাহায্য নিত তা ওই টিকে। এগুলো রাখা হত যে পাত্রে তাকে বলা হত আগুনের মালসা। ধূপ-ধুনো জ্বালানোর কাজেও লাগত এই টিকে।

সেকেলে গপ্পো

বাঙালির কেজো কর্মজীবনের চত্বর থেকে প্রায় বিদায় নিয়েছে টাইপরাইটার। তা বলে রেমিংটন, অলিভার, হার্টফোর্ড, ইম্পিরিয়াল, রয়্যাল, সালটার, সিমপ্লেক্স-এর স্মৃতি মুছে যায়নি পুরোপুরি।

সেকেলে গপ্পো

এঁদের অনুপস্থিতিতে নগর কলকাতা হারিয়েছে তার কয়েকজন নিকটাত্মীয়কে। এঁদের ডাক আর আওয়াজের অভাবে নিঃসন্দেহে কিছুটা হলেও দীন হয়েছে কলকাতার স্ট্রিট সং।

সেকেলে গপ্পো

সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল একেবারে সামনের (দোতলায়) চারটে সিট। অল্পবয়েসি ছেলেমেয়েরা এবং প্রেমিক-যুগলদের মধ্যে অনেকে কেবল এই সিট পাওয়ার জন্যই একটার পর একটা বাস ছাড়তে পিছপা হত না।

সেকেলে গপ্পো

শুনলে অনেকেই অবাক হবেন, একদা খাস কলকাতা শহরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হয়েছিল এরকম ফায়ার অ্যালার্ম। তাও আবার একটি-দুটি নয়, প্রায় ১৫০টি!

সূচের খোঁজে খড়ের গাদায়

সূচের সঙ্গে গার্হস্থ্য সংযোগ আলগা হলে তার প্রভাব পড়তে বাধ্য সূচলগ্ন শব্দের অস্তিত্বে, ব্যবহারে ও তার স্বতঃস্ফূর্ত বিকাশে। আত্মিক সম্পর্ক ছিন্ন হলে পড়ে থাকে শব্দের খোলসটা। নিষ্ক্রিয় অঙ্গের মতো ক্রমে অব্যবহারে শব্দ-শরীরে মরচে পড়তে থাকে, যার…

বুনো স্ট্রবেরি কিন্তু ‘বুনো’ নয়

বিভিন্ন পর্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে তৎকালীন সমাজচিত্র, রোজনামচা। যতটা না এলিট তার থেকে অনেক বেশি সাধারণ মধ্যবিত্ত বাঙালির। বাদ যায়নি ফেরিওয়ালা, রাস্তার খাবার ও তার আনুপূর্বিক অ্যানাটমিক্যাল বিচার-বিশ্লেষণ আর খাওয়ার আফটার শক-এর মুচমুচে বিবরণ।