বা়ংলার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল সাহিত্য পত্রিকা

পেরুস্কোপ

বাসস্ট্যান্ড থেকে গুগল ম্যাপ পথ দেখিয়ে পৌঁছে দিল যথাস্থানে। ডাউন টাউনের কাছটা দেখলাম দারুণ সুন্দর। সব বাড়িই প্রাচীন কলোনিয়াল স্থাপত্যে গড়া। গোটা এলাকাটাই একটা হেরিটেজ সাইট বলা যেতে পারে।

পেরুস্কোপ

আমাদের এই ক্লাইম্বটা ছিল রুরেকের ইস্ট ফেজ ধরে মোটামুটি সরাসরি একটা ক্লাইম্বিং লাইন। আর এই আনকমন রুটে ক্লাইম্বে রইল একজন ভারতীয়ের নাম।

পেরুস্কোপ

সাউথ সামিট পৌঁছনোর আগেই দাঁড়িয়ে রয়েছে তার সাব-সামিটের বিশাল বরফ মাশরুম। সেই মাশরুমের ওভারহেড বিপদ উপেক্ষা করে ক্লাইম্ব করাটা আমাদের সেই মুহূর্তে মনে হয়েছিল উন্মাদনার সমান।

পেরুস্কোপ

বরফের পাহাড় মানেই সেই পাহাড়ের কোথাও না কোথাও কর্নিশ তৈরি হতে পারে। বিশ্বের সব পর্বতমালাতেই এদের সম্ভ্রম আদায় করা উপস্থিতি। কিন্তু কর্ডিয়েরা ব্লাঙ্কার কর্নিশরা অন্য পর্যায়ের।

পেরুস্কোপ

এ পাহাড়ের একটা অংশও চোখে পড়ছে না যেখান দিয়ে সহজে উঠতে পারা যাবে! কোনও ইনভাইটিং ফিচারই নেই পাহাড়ের গায়ে। উয়ানসান যেন তার কাছে আসতে, তার গায়ে উঠতে বারণ করছে নিঃশব্দে।

পেরুস্কোপ

পেরুর কথা শুনলেই লোকজন ইনকা সভ্যতার কথা ভাবতে শুরু করেন। ইনকা নিয়ে আমার উৎসাহ অবশ্যই ছিল এবং আছে, কিন্তু প্রি-ইনকা সভ্যতার কিছু নিদর্শনও দেখার ইচ্ছা ছিল।

পেরুস্কোপ

উনি আমায় ইশারায় বসতে বললেন। এক থালা ভাত এল। আর এল ছোলা এবং আলু দিয়ে তৈরি তরকারি। শেষে এক কাপ চা। এর পর বসে আছি তো আছিই। এক কৌতূহলী বৃদ্ধ এসে আলাপ জমালেন।

পেরুস্কোপ

সন্ধের অন্ধকার নামছে একটু একটু করে। সেই অন্ধকারে ঢেকে যাচ্ছে আন্দিজের পুব পাড়ের এক পাহাড়ি গ্রামের বাড়িঘরের আদল, মানুষজনের রঙিন পোশাক, তাদের অচেনা ভাষা, আমার মুখের আদল, আমার চামড়ার রং।

পেরুস্কোপ

ভীষণ ছবি তুলতে ইচ্ছে হল। ব্যাকড্রপে কর্ডিয়েরা ব্লাঙ্কা আর সামনে একটা গাছের ডালে তিনটে বাচ্চা। ছবি দারুণ হবে। কাছে গেলাম। পারমিশন চাইলাম, কী রে, তোদের ছবি তুলব? কিছুতেই রাজি হয় না।

পেরুস্কোপ

কর্ডিয়েরা নেগ্রা ক্রস করে কর্ডিয়েরা ব্লাঙ্কার পায়ের তলায় পৌঁছানো গেল। এই দুটো নামের মধ্যে একটা সরল মজা আছে। কর্ডিয়েরা অর্থাৎ পর্বতমালাগুলো কালার কোডেড। নেগ্রা মানে কালো আর ব্লাঙ্কা মানে সাদা।