বাংলায় প্রথম সম্পূর্ণ অনলাইন একটি সাহিত্য পত্রিকা

সুখ আর দুঃখ

যারা আমরা অসুখী তারা ভাবি জানলার ওপাশে যার বাস সে বুঝি-বা সুখী। অন্যদিকে সে হয়তো ভাবছে এপাশে যে আছে তার মতো আর সুখী নেই।

মাথার ঘাম পায়ে ফেলে, ও আরও কয়েকটুকরো এলোমেলো

গালিভার একটা দেশে গিয়ে দেখলেন সেখানকার একগাদা বাড়িঘর মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। কারণ জিজ্ঞেস করতে শুনলেন, ওখানকার নব্য স্থপতিরা আর ভিত থেকে বাড়ি না তুলে ছাত থেকে বাড়ি বানাতে বদ্ধপরিকর হয়েছেন। ফলে ওই ভগ্নস্তূপের সারি। সুইফটের এই আশ্চর্য ঠাট্টা…

তুমি কেমন আছ

মনে পড়ছে বিনয় মজুমদারকে যেদিন আমার বাড়িতে নিয়ে এলাম, সেদিন আমার অভ্যস্ত সান্ধ্য আড্ডা থেকে ফিরে অনেক কড়া নেড়েও তাঁকে দিয়ে দরজা খোলাতে পারিনি। ফলে ওই বন্ধুর বাড়ি ফিরে গিয়েই বসবার ঘরের সোফায় রাত কাটাতে হল। রাতের কড়া নাড়ায় কি বিনয়ের মন মজেনি?…

অনিশ্চয়তার পাদদেশে

জীবনের শেষ অনিশ্চয়তা ছাড়াও যে অন্য অনিশ্চয়তা জীবনে উঁকি দিতে পারে, এমনকি জীবনকে সংশয়াচ্ছন্নও করে তুলতে পারে, সেই অভিজ্ঞতা তো এখন আমাদের হচ্ছে। আমাদের নিশ্চয়তার অভ্যেস তাতে টাল খাচ্ছে। ঠিক আছি, তবু হঠাৎ মনে হচ্ছে, ঠিক আছি তো?